ক্ষমা

{mosimage}মেডিকেল সায়েন্স এ শতকের সেরা আবিষ্কারের কথা আজ জানতে পারবে পৃথিবীর মানুষ। আজ অনেক বছর পর আবার হাসছেন ড. মুর। ধীরে ধীরে এক পাশবিক উল্লাস গ্রাস করছে তাকে। হারিয়ে যাচ্চেন বাস্তব অবাস্তব, বিবেক মনুষ্যত্বের সীমানায়।
  (১)ডিসেম্বর ৭, ২০০৬। তায়োশি ফার্মাসিউটিকেলস ল্যাব, টোকিও। রাত ১:৪৫। ডা. মুর তার রিসার্চ ল্যাব এর বালকনিতে দাঁড়িয়ে। সিগেরেটসহ হাতটা থরথর করে কাপছে। একই সাথে তিনি উত্তেজিত এবং আনন্দিত। অবশেষে তার হতাশামুক্ত পৃথিবীর স্বপ্ন সত্য হতে যাচ্ছে। ডা. মুর এর হাতে আধঘন্টা আগে এসে পৌছেছে টেস্ট রেসাল্টগুলো। পাওয়ার সাথে সাথেই তিনি জরুরী মিটিং ডেকেছেন তার সহকারী গবেষকদের নিয়ে। মোট তিনশ পঞ্চান্ন জন মানসিক রোগীর উপর পরীক্ষা চালানো হয় বিটোক্স ৪৪ । এদের মধ্যে তিনশ বায়ান্ন জন এর রেসাল্ট পসিটিভ। তিন জন এর ফলাফল অসম্পুর্ন। এক্সপেরিমেন্ট শেষ হবার আগেই এরা স্বাভাবিক মৃত্যুবরন করে। বাকি সব রোগী এখন সম্পূর্ণ সুস্থ্য। হতাশা তাদের জীবন থেকে পুরোপুরি মুছে দিয়েছে বিটোক্স ৪৪।  স্মৃতির পাতা উলটে চার বসর অতীতে চলে গেলেন ডা. মুর। তার চোখের সামনে ভেসে উঠলো হাস্যোজ্জল ক্যাথরিন এর মুখ। ড. মুর এর একমাত্র মেয়ে। পেশায় প্যারানরমাল সাইকোলজিস্ট।  এরকমই এক ডিসেম্বর রাতে ডিনার শেষ করে টেলিভিশন এর সুইচ অন করেছেন মুর। প্রতিটি চ্যানেল এ তুষার ঝড়ের মাঝে দাঁড়িয়ে ঝড়ের ক্ষিপ্রতা বর্ণনা করছেন সাংবাদিকরা। সেই সাথে এক এর পর এক উদ্ধার অভিযানের লোমহর্ষক কাভারেজ। ঘড়ির দিকে তাকালেন মুর। দুঘন্টা আগেই পৌছে যাবার কথা ছিল ক্যাথরিন তার ছেলেকে নিয়ে।  স্বামীকে ডিভোর্স দেয়ার পর থেকেই ছেলের সব দায়িত্ব এখন ক্যাথির। ক্যাথরিন এর মানসিকে শক্তি দেখে অবাক হন মুর। ছোটবেলায় মাকে হারায় ক্যাথি। গবেষণার কাজে ব্যাস্ত থাকায় মেয়েকে তেমন সময় দিতে পারেননি মুর। বিয়ের বছর দুএক এর মধ্যে স্বামী হারায় ক্যাথরিন। অফিস এর সহযোগীর সাথে সম্পর্কের কথা জানার পর এক মুহূর্তও দেরি করেনি সে স্বামীকে ডিভোর্স দিতে। এখন ওর জীবন মানে শুধু ওর ছেলে ব্রুক ও তার ইন্সটিটিউট। মিনেসোটা ইন্সটিটিউট অফ মেন্টাল হেলথ এন্ড প্যারানরমাল সাইকোলজি। ভাবতে ভাবতে পেরিয়ে যায় আর একটি ঘন্টা। টিভির সুইচ অফ করার সাথে সাথেই বেজে ওঠে টেলিফোন। ইন্টারকম এর আওয়াজে আবার বর্তমানে ফিরে আসেন ড. মুর। স্যার, আপনার অতিথি এবং গবেষকদের সবাই ফ্যাসিলিটিতে প্রবেশ করেছেন । সবাই কনফেরেন্স রুমে আপনার জন্য অপেক্ষা করছেন । আপনার গবেষণা সংক্রান্ত সকল তথ্য মেইনফ্রেম এ আপলোড করা শেষ হয়েছে  ধন্যবাদ লি। মুর তার কাগজপত্র গুলো গুছিয়ে নিলেন।  মেডিকেল সায়েন্স এ শতকের সেরা আবিষ্কারের কথা আজ জানতে পারবে পৃথিবীর মানুষ। আজ অনেক বছর পর আবার হাসছেন ড. মুর। ধীরে ধীরে এক পাশবিক উল্লাস গ্রাস করছে তাকে। হারিয়ে যাচ্চেন বাস্তব অবাস্তব, বিবেক মনুষ্যত্বের সীমানায়। (২)পূর্ণ সামরিক সাজে সজ্জিত দুই সামকিক সদস্যের সাহায্যে হেলিকপ্টার থেকে নামলেন মুর। যেখানে তাকে নামানো হল দেখে বোঝার উপায় নেই এটি একটি সামরিক স্থাপনা। ঘরের ভেতরে নিয়ে তাকে একটি এলিভেটরে ওঠানো হল। লিফটের বোতাম গুলোতে চোখ রাখলেন মুর। গ্রাউন্ড লেভেল এর নিচেও আরও তেরটি লেভেল।  সপ্তম লেভেল এর বোতাম চাপল একজন সৈন্য।  সপ্তম লেভেল এর দরজা খুলতেই শোনা গেল কৃত্রিম ভেন্টিলেশন এর মৃদু গুঞ্জন। তাকে নিয়ে যাওয়া হল সুসজ্জিত একটি অতিথি কক্ষে। অপেক্ষা করতে বলা হল তাকে।  কিছুক্ষন পর ঘরে প্রবেশ করলেন তিনজন সামরিক কর্মকর্তা। তাদের বুকের ওপরের ব্যাজ গুল স্পষ্ট বলে দিচ্ছে তাদের পদের গুরুত্ব। ড. মুর, আমরা অত্যন্ত দুক্ষিত আপনাকে এভাবে নিয়ে আসার জন্য। জাতির বৃহত্তর স্বার্থে আজ আপনাকে আমাদের প্রয়োজন।– বললেন তাদের একজন। আপনি দয়া করে আমাদের সাথে আমাদের প্রজেকশন রুম এ চলুন। সেখানে আপনাকে এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানানো হবে প্রজেকশন রুমটি নানা করম ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতিতে পরিপূর্ণ। ড. মুর বুঝতে পারলেন সম্পুর্ণ ব্যাপারটি রেকর্ড করা হচ্ছে। তার হাতের দুটি আঙ্গুলে লাগানো হয়েছে দুটি সেন্সর।সম্ভবত লাই ডিটেক্টর। সেই সাথে ব্রেইন এক্টিভিটি মনিটর করা হচ্ছে।ড. মুর, আপনার নিজের এবং জাতির নিরাপত্তার জন্য আপনার কাছে আমরা অনুরোধ করব যে এই কথোপকথন এবং তথ্য সংক্রান্ত সব বিষয় যেন এই চার দেয়ালে সীমাবদ্ধ থাকে । সম্মতি সূচক মাথা নাড়লেন ড. মুর। মুর, আপনি হয়ত জানেন যুদ্ধক্ষেত্রে আমাদের সৈন্যদের আত্মহত্যা প্রবনতা বাড়ছে । কতটা বাড়ছে সে সম্পর্কে আপনার ধারণা নেই। না থাকাটাই স্বাভাবিক। বিগত চার মাসে শত্রুপক্ষের হাতে নিহত হয় আমাদের একশত বেয়াল্লিশ জন মেরিন। বিগত দুই মাসে মেরিনদের আত্মহত্যার সংখ্যা বলতে পারবেন কত? স্তব্ধতা গ্রাস করে পুরো কক্ষ।এক হাজার সাতশ একুশ মুর, আমরা চাই আপনি আমাদের মিলিটারী সাইকলোজিস্ট এবং ডাক্তারদের সাহায্য করুন। আমরা আমাদের সৈন্যদের উপর বি-৪৪ প্রয়োগ করতে চাই। We need to win the war at any cost and don’t think we are giving you an option.” (৩)এপ্রিল ২০০৯। মধ্য এশিয়া থেকে ফিরে আসছে প্রথম প্লাটুন। ফিরে আসা সৈন্যদের বীরের সম্মাননা দিতে প্রস্তুত পুরো জাতি। জেমি এয়ারপর্ট এর বাইরে অপেক্ষা করছে মায়ের সাথে। বাবাকে কখনো দেখেনি জেমি। ওর মা যখন চার মাসের অন্তস্বত্তা কখন ওর বাবাকে পাড়ি জমাতে হয় আটলান্টিক এর অপারে। আরেক মহেদেশে। এখন জেমির বয়স পাঁচ। প্রতি রাতে বাবার গল্প বলে ঘুম পাড়াতে হয় তাকে। ঘুমাবার আগে মার কাছে প্রতিদিন তার একই প্রশ্ন বাবা কি উড়তে পারে মা ? বাবা আসলেই জিজ্ঞেস কর তাকে, এখন ঘুমাও, আমি আলো নিভিয়ে দিচ্ছি।ছেলের ঘরের বাইরে এসে কান্না সামলাতে পারেন না কেলি। জেমির মা। দুমাস আগে তার ভাই এর মৃত্যু সংবাদ দিয়ে যান এক আডমিরাল। গত সপ্তাহে তার ছোট বোনের স্বামী প্রান হারায় ব্যাটলফিল্ডএ। তিনি জানেন না তার স্বামী কখনো ফিরে আসবে কিনা। জেমি তার স্বপ্নের সুপারম্যানকে কখনো দেখতে পাবে কিনা।আজ তার স্বপ্ন সত্যি হতে যাচ্ছে।  প্লেনে তার সহযোগীদের সাথে বসে আছেন লে. টেইলর। একটু পর বিমান অবতরন করবে কেনেডি বিমান বন্দরে। প্রায় ছয় বছর পর ফিরে আসছেন তার প্রিয়জনদের মাঝে, দেশের মাটিতে। তার পাশে বসে থাকা মানুষগুলোর দিকে একবার তাকালেন। সবার চোখে মুখে আনন্দের ছাপ। কেউ কেউ গলা ছেড়ে গাইছে মাতৃভুমির গান। আনন্দের গান। অবাক হলেন টেইলর। তার কাছে তার অনুভুতি গুলকে একদমই অপরিচিত মনে হচ্ছে। গত দুই বছরে তার প্লাটুন এর প্রায় সবাইকেই হারিয়েছেন তিনি। হয়তো এখন তাড়া করে ফিরছে পুরোনো স্মৃতিগুলো। কিন্তু নিশ্চিত হতে পারছেন না । তিনি চেষ্টা করলেন তার স্ত্রীর চেহারা মনে করার। পারলেন না। অথচ একটু আগেই লকেটটা খুলে দেখেছেন তাদের দুজনের ছবি। তিনি চেষ্টা করলেন নিজের চেহারা মনে করবার। পারলেন না।    এয়ারপোর্ট এ টেইলর এর পরিবার ছাড়াও আরও একজন অপেক্ষা করছিল তার জন্য। ম্যালকম গ্রে। সি.আই.এ তে ঢোকার পর এটি তার চতুর্থ জব। প্লেন ল্যান্ড করার আগের সময়টুকু তিনি তার অবজেক্টিভ ফাইলটায় একবার চখ বুলিয়ে নিচ্ছেন। প্রথম পাতায় সাব্জেক্ট এর ব্যাক্তিগত তথ্যাবলি – লে. টেইলর জুনিয়র। বয়স ৩৭। বিবাহিত। স্ত্রি কেলি সাদারলেন্ড।  এক সন্তান, নাম জেমি টেইলর। … … পাতা ওল্টালেন গ্রে। সেনাবাহিনীর এলিট দল টেরোর এলিমিনেট ব্রিগেড (টি.ই.বি) এর একমাত্র জীবিত সদস্য টেইলর। সেরা স্নাইপারদের একজন। হিট কাউন্ট ৪৪৩ ।…পাতা উলটে শেষ পাতায় গেলেন গ্রে। লাল প্রিন্টে স্পষ্ট লেখা অব্জেক্টিভ এলিমিনেট লে. টেইলর জুঃপ্লট অটোমোবাইল এক্সিডেন্ট।ডেডলাইন ২৪ শে এপ্রিল। ফাইলটা বন্ধ করে রাখলেন গ্রে। এখনো দু সপ্তাহ সময় আছে গ্রের হাতে। এবারের জবটা বেশ সহজ মনে হচ্ছে তার। পকেট থেকে সিগেরেট বের করলেন গ্রে। খুন করার মধ্যে কোন আনন্দ নেই। একটি জেট ইঞ্জিনের মৃদু গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। এখনই অবতরন করবে ফ্লাইট ০৬।  (৪) ডিনার শেষ। এখন সবাইকে বিদায় জানানোর পালা। জেমিকে কোলে নিয়ে দরজায় দাঁড়িয়ে আছে  কেলি। ফেরার পর থেকেই টেইলর বেশ চুপচাপ। ডিনারের সময় তেমন কোন কথাও বলেনি সে। হয়ত তার কিছুটা সময় দরকার। যুদ্ধের বিভীষিকা ভুলতে সময় লাগবে। এই কয় বছরে বদলেছে অনেক কিছু । সব কিছু মানিয়ে নিতেও সময় দরকার। নিজেকে সান্তনা দেয় কেলি। কিছু একটা পরিবর্তন লক্ষ্য করছে সে তার স্বামীর মাঝে। কলেজ জীবন থেকে চেনা টেইলরকে খুব অপরিচিত লাগছে তার। অফিস থেকে ছুটি নিয়েছে কেলি দু সপ্তাহের জন্য। তিন টি প্লেন টিকিট কিনেছে হাওয়াই আইল্যান্ড এ ছুটি কাটাবে বলে। এখানেই বিয়ে হয়েছিল ওদের। হয়ত সে হারিয়ে যাওয়া সম্পর্কগুলোকে আবার ফিরে পাবে।*********** ন্যাশনাল ডিফেন্স কাউন্সিল, ফ্লোরিডা। সামরিক বাহিনীর এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তার হাতে একটি ফাইল। ফাইলের উপর মোটা করে লেখা কনফিডেন্সিয়াল। টেরোর এলিমিনেট ব্রিগেড (টি.ই.বি)। যাকে ওল্টালে হয় বি.ই.টি। বিটোক্স এক্সপেরিমেন্ট টিম। টিমের সদস্য ১৪০। এদের প্রত্যেকের উপর উচুঁ মাত্রার বিটোক্স ৪৪ প্রয়োগ করা হয়। এরা হতাশামুক্ত ইউনিট। বলা যায় এই টিম এর সৈন্যরা এক একজন এক একটি রোবট। মস্তিষ্কের যে অংশ হতাশা সৃষ্টির জন্য দায়ী তাকে চিরতরে অকার্জকর করে দেয় বিটোক্স। একই প্রভাব ফেলে আনন্দ অনুভুতির ওপর। ফলে যে কোন রকম প্যানিক বা ডিপ্রেশনমুক্ত থাকে মস্তিষ্ক। ************ হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জে সৈকতে বসে আছে টেইলর, পাশে কেলি। তাদের সামনেই স্যান্ড ক্যসেল বানানোর চেষ্টা করছে জেমি। স্রোত দেখে বার বার অবাক হচ্ছে। বার বার ছুটে যাচ্ছে জেমি। মা আবার হাত ধরে নিয়ে আসছে তাকে। পানির কাছে যাওয়া থেকে  শক্ত করে বারন করে দিয়েছে।  চুপচাপ বসে আছে টেইলর। সে নিজেও বুঝতে পারছে তার নিজের মধ্যে একটি বড় পরিবর্তন হয়ে গিয়েছে। টেইলর এর কাধে মাথা রেখে কথা বলার চেষ্টা করছে কেলি। সব উত্তর সে দিছে একটি কিম্বা দুইটি শব্দে। পানির বোতলটা খালি হয়ে গেছে। কাছেই পাওয়া যাবে মিনারেল ওয়াটার। জেমিরও হয়ত তেষ্টা পেয়েছে। টেইলরকে বলে বোটল আনতে চলে গেল কেলি।  জেমি একদৃষ্টে তাকিয়ে আছে স্রোত গুলোর দিকে। তার খুব কাছেই আছড়ে পড়ছে স্রোতগুলো। পেছনে তাকিয়ে মা কে দেখে না সে। বাবার হয়ত আপত্তি থাকবে না যদি সে স্রোতগুলো নিয়ে খেলা করে। ধীরে ধীরে এগিয়ে যায় সে স্রোত গুলোর দিকে।  সমুদ্রের দিকে তাকিয়ে থাকে টেইলর। দেখতে পায় তার ছেলে হারিয়ে যাচ্ছে স্রোতের মাঝে। কোন প্যানিক সে অনুভব করে না। ব্যপারটা খুব স্বাভাবিক মনে হয় তার।  কিছুক্ষনের জন্য ডুবে যাওয়া ছেলের হাতটা একবার দেখতে পায় সে। হাতটি আবার হারিয়ে যায় অসীম নীল সমুদ্রে।  (৫) আমি এই মাত্র ধমনীতে ১০ এম.এল ডিফ্লক্সিন পুশ করেছি। আর আধ ঘন্টার মাঝেই হৃদযন্ত্র বন্ধ হয়ে যাবে। আজকের দিনটি আমার জীবনের সফলতম দিন । আজকে বিটোক্স ভাক্সিনেশন বিলটি পাস হয়েছে। এখন থেকে প্রতিটি শিশু জন্ম নেবে হতাশাকে জয় করে। আমি ক্ষমাপ্রার্থী মানব জাতির কাছে। বিটোক্স ৪৪ যাকে তোমরা চিকিৎসাবিজ্ঞানের স্রেষ্ট আবিষ্কারের সম্মান দিয়েছ তা আসলে শুধুই আমার প্রতিশোধপরায়নতার ফসল। আমার মেয়ের মৃত্যুর প্রতিশোধ। আমার মেয়ের কোলে থাকা ফুটফুটে শিশুটির মৃত্যর প্রতিশোধ। প্রজন্মের পর প্রজন্মকে মুল্য দিতে হবে এই মৃত্যুর। আমি এর জন্য দুঃখিত নই। অনুতপ্ত নই। হতাশ নই। কারন …  

ফেসবুক কমেন্ট


One Comment

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

You may use

আপনি চাইলে এই এইচটিএমএল ট্যাগগুলোও ব্যবহার করতে পারেন: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>

*