Home / তথ্যপ্রযুক্তি / উন্মুক্ত হচ্ছে ভিওআইপি

উন্মুক্ত হচ্ছে ভিওআইপি

Normal
0

false
false
false

MicrosoftInternetExplorer4


/* Style Definitions */
table.MsoNormalTable
{mso-style-name:”Table Normal”;
mso-tstyle-rowband-size:0;
mso-tstyle-colband-size:0;
mso-style-noshow:yes;
mso-style-parent:””;
mso-padding-alt:0in 5.4pt 0in 5.4pt;
mso-para-margin:0in;
mso-para-margin-bottom:.0001pt;
mso-pagination:widow-orphan;
font-size:10.0pt;
font-family:”Times New Roman”;
mso-ansi-language:#0400;
mso-fareast-language:#0400;
mso-bidi-language:#0400;}

আমাদের দেশে সবকিছু আসে দেরিতেইতিবাচক বা ভাল দিক সমূহ আসতে যথেষ্ট সময় লাগে এদেশেবিশেষ করে প্রযুক্তি নিয়ে প্রায় প্রতিটি সরকারের মাঝে লক্ষ্য
করা গেছে একপ্রকার উদাসীনতা
এটা ঠিক
যে
, আমাদের প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তাগণের
যথাযথ প্রযুক্তি জ্ঞানেরও ঘাটতি রয়েছে
তবে অনেক
ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণের দক্ষতার অভাব না থাকলেও সর্বোচ্চ মহলের সুস্পষ্ট
নির্দেশনার অভাবে ঐ প্রযুক্তির উপর যথাযথ উদ্যোগ পরিলক্ষিত হয় না
এ ধরনের প্রযুক্তি বরং অবহেলিত হয়ে পড়েএই সুযোগকে কাজে লাগানোর জন্য সক্রিয় হয়ে ওঠে দেশী-বিদেশী
মহল
তারা এই প্রযুক্তিকে অবৈধ পথে
কাজে লাগাতে তৎপর হয়
এমনিভাবে
আমাদের দেশে ভিওআইপি প্রযুক্তি নিয়ে কিছু কার্যক্রম শুরু হয়ে যায়
এর ফলে ভিওআইপি প্রযুক্তি দীর্ঘদিন অবৈধভাবে সমপ্রসারিত হতে
থাকে
এখানে বলা সমীচিন, কয়েক বছর ধরে এই প্রযুক্তিকে উন্মুক্ত
করার কথা থাকলেও তা নিয়ে চলছিল নানা টালবাহানা
তাছাড়া দেশী-বিদেশী এই চক্রটি প্রযুক্তিকে বৈধ পথে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে যাবতীয় প্রতিবন্ধকতা
তৈরিতে সক্রিয় হতে থাকে
তবে আশার
কথা
, শেষ পর্যন্ত এই ভোগান্তি ও অপেক্ষার
পালা শেষ হতে যাচ্ছে
এ মাসেই
ভিওআইপি প্রযুক্তি উন্মুক্ত করা হচ্ছে
নিঃসন্দেহে
এটি আমাদের দেশের জন্য শুভ বার্তা বয়ে আনছে
জানা
গেছে
, দেশে সাড়ে তিন হাজার ভিওআইপির অপারেটিং
লাইসেন্স দেয়া হবে
আর ভিওআইপির লাইসেন্স
ফি নির্ধারণ করা হতে পারে দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা

Normal
0

false
false
false

MicrosoftInternetExplorer4


/* Style Definitions */
table.MsoNormalTable
{mso-style-name:”Table Normal”;
mso-tstyle-rowband-size:0;
mso-tstyle-colband-size:0;
mso-style-noshow:yes;
mso-style-parent:””;
mso-padding-alt:0in 5.4pt 0in 5.4pt;
mso-para-margin:0in;
mso-para-margin-bottom:.0001pt;
mso-pagination:widow-orphan;
font-size:10.0pt;
font-family:”Times New Roman”;
mso-ansi-language:#0400;
mso-fareast-language:#0400;
mso-bidi-language:#0400;}

আধুনিক
প্রযুক্তিতে টেলিফোন সেবা

বিশ্বে টেলিযোগাযোগ ক্ষেত্রে
যথেষ্ট প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ঘটেছে
এইসব
দেশে অনেক সাশ্রয়ী পদ্ধতিতে টেলিফোনে কথা বলা সম্ভব হচ্ছে
তাছাড়া এতে কথা বলা ছাড়াও আরো সুবিধা পাওয়া যাচ্ছেসেদিক দিয়ে আমরা এখনো পিছিয়ে রয়েছিপ্রচলিতভাবে
আমাদের দেশে যে টেলিফোন সেবা পাচ্ছি তা সার্কিট সুইচিং পদ্ধতিতে
এই প্রযুক্তি অনেক পুরোনোএতে ভয়েস এবং ডেটা সঞ্চালনের জন্য আলাদা নেটওয়ার্কের প্রয়োজন হয়এতে ভয়েস ট্রান্সমিশনের খরচ ডেটা ট্রান্সমিশন অপেক্ষা অনেক
বেশি
অপরদিকে আইপিতে এই দুটো সেবাকে
mgwš^Z করা হলে
ন্যূনতম খরচে পৃথিবীর যে কোনো স্থানে ভয়েস কল করা যাবে সহজেই
প্রযু্‌ক্িতর উন্নয়নের সাথে সাথে আধুনিক প্রযুক্তিতে টেলিফোন সেবা দ্রুত বিস্তৃত
ঘটতে যাচ্ছে
এই প্রযুক্তি হচ্ছে প্যাকেট
সুইচিং পদ্ধতি
এটি একটি আধুনিক পদ্ধতিএতে ডেটা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে টেলিফোন সেবা প্রাপ্তির একটি
প্রযুক্তি
ভিওআইপি এই প্রযুক্তিরই অংশএই প্রযুক্তিতে সুবিধা অনেক

 

ভিওআইপি কি

ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রটোকল
সংক্ষেপে ভিওআইপি এক ধরনের প্রযুক্তি যা ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ এর মাধ্যমে টেলিফোন
কল করার সুবিধা প্রদান করে
ভিওআইপি
ব্যবহার করে কিছু সার্ভিস রয়েছে যা অন্যপ্রান্তে একই সার্ভিস ব্যবহারের মাধ্যমে ফোন
করার সুবিধা পাওয়া যায়
অন্যদিকে
যার একটি টেলিফোন
bv¤^vi রয়েছে এমন যে কেউ লোকাল ছাড়াও দূরস্থানে, মোবাইল এবং অন্যদেশের (আন্তর্জাতিক) bv¤^v‡i ফোন করতে
পারেন
কম্পিউটার অথবা একটি বিশেষ ধরনের
ভিওআইপি ফোন একটি অ্যাডাপ্টার ব্যবহার করে একই সার্ভিস পাওয়া সম্ভব
 

 

ভিওআইপিতে প্রচলিত সার্কিট সুইচড
ভয়েস ট্রান্সমিশন লাইনের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচড নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ভয়েস ডেটা ট্রান্সমিট
হয়
এই পদ্ধতিতে এনালগ অডিও সিগনাল
গ্রহণ করে তা ডিজিটাল সিগনালে রূপান্তরিত করে যা ইন্টারনেট প্রটোকল (প্যাকেট) ব্যবহারে
ট্রান্সমিট হয়

 

Normal
0

false
false
false

MicrosoftInternetExplorer4


/* Style Definitions */
table.MsoNormalTable
{mso-style-name:”Table Normal”;
mso-tstyle-rowband-size:0;
mso-tstyle-colband-size:0;
mso-style-noshow:yes;
mso-style-parent:””;
mso-padding-alt:0in 5.4pt 0in 5.4pt;
mso-para-margin:0in;
mso-para-margin-bottom:.0001pt;
mso-pagination:widow-orphan;
font-size:10.0pt;
font-family:”Times New Roman”;
mso-ansi-language:#0400;
mso-fareast-language:#0400;
mso-bidi-language:#0400;}

ভিওআইপি কিভাবে কাজ করে

প্রচলিত টেলিফোন ব্যবস্থা অপেক্ষা
ভিওআইপি একটি আধুনিক মান সম্পন্ন ব্যবস্থা
সাধারণভাবে
আমাদের মাঝে প্রশ্ন জাগে
, ভিওআইপি
কিভাবে কাজ করে
যখন আমরা হ্যান্ডসেট অথবা মাইক্রোফোনে
কথা বলি তখন এটি ইলেকট্রিক্যাল সিগনালে রূপান্তরিত হয়
এই সিগনাল হচ্ছে এনালগ সিগনালএর ভোল্টেজ
লেভেল একটি রেঞ্জের মধ্যে যে কোনো ভেল্যু গ্রহণ করে
এনালগ সিগনাল ডিভাইস দ্বারা একটি এলগরিদম কার্যকর করে তা একটি ডিজিটাল সিগনালে
রূপান্তরিত করে
এটা হতে পারে একটি একক ভিওআইপি
ফোন অথবা একটি সফট্‌ফোন যা পিসিতে নির্বাহ হয়
যদি এনালগ ফোন ব্যবহার করি সেক্ষেত্রে প্রয়োজন হয় একটি টেলিফোনী অ্যাডাপ্টার (টিএ)

ডিজিটালাইজড
ভয়েস প্যাকেটে সংগৃহীত হয় এবং তা আইপি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পাঠাতে হয়
 সহজ ভাষায় বলতে গেলে, ইন্টারনেটের মাধ্যমে টেলিফোন হতে
ভিওআইপি ভয়েস সিগনাল ডিজিটাল সিগনালে রূপান্তরিত করে
যদি একটি নিয়মিত
ফোন
bv¤^v‡i
কল করা হয় তবে সিগনালটি অন্যপ্রান্তে রূপান্তরিত হয়ে যায়ভিওআইপি একটি
কম্পিউটার হতে অথবা একটি বিশেষ ভিওআইপি কিংবা একটি ট্রাডিশনাল ফোন একটি অ্যাডাপ্টার
ব্যবহার করে সরাসরি কল করার অনুমতি লাভ করে

 

 

Normal
0

false
false
false

MicrosoftInternetExplorer4


/* Style Definitions */
table.MsoNormalTable
{mso-style-name:”Table Normal”;
mso-tstyle-rowband-size:0;
mso-tstyle-colband-size:0;
mso-style-noshow:yes;
mso-style-parent:””;
mso-padding-alt:0in 5.4pt 0in 5.4pt;
mso-para-margin:0in;
mso-para-margin-bottom:.0001pt;
mso-pagination:widow-orphan;
font-size:10.0pt;
font-family:”Times New Roman”;
mso-ansi-language:#0400;
mso-fareast-language:#0400;
mso-bidi-language:#0400;}

কি ধরনের যন্ত্রপাতি দরকার

একটি দ্রুতগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগের প্রয়োজনএটি একটি ক্যাবল মডেল, ডিএসএল
অথবা একটি লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের মাধ্যমে হতে পারে
কম্পিউটারের সঙ্গে একটি মাইক্রোফোন থাকবে যা ক্যাবল মডেমের মাধ্যমে ভয়েস পাঠাতে
সক্ষম অথবা একটি ফোন সরাসরি টেলিফোন অ্যাডাপ্টার ব্যবহার করে ভয়েস পাঠাতে পারে
সেই ভিওআইপি সার্ভিস প্রোভাডারের সহিত সংযোগ লাগবে 

Normal
0

false
false
false

MicrosoftInternetExplorer4


/* Style Definitions */
table.MsoNormalTable
{mso-style-name:”Table Normal”;
mso-tstyle-rowband-size:0;
mso-tstyle-colband-size:0;
mso-style-noshow:yes;
mso-style-parent:””;
mso-padding-alt:0in 5.4pt 0in 5.4pt;
mso-para-margin:0in;
mso-para-margin-bottom:.0001pt;
mso-pagination:widow-orphan;
font-size:10.0pt;
font-family:”Times New Roman”;
mso-ansi-language:#0400;
mso-fareast-language:#0400;
mso-bidi-language:#0400;}

কেনো ভিওআইপি ব্যবহার করবো

উন্নত দেশ সমূহে ভিওআইপি প্রযুক্তির ব্যবহার অত্যন্ত ব্যাপকটেলিযোগাযোগ ব্যবস্থায় এটি যথেষ্ট পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়েছেভিওআইপি একটি সাশ্রয়ী প্রযুক্তিতাছাড়া এটি একটি আধুনিক প্রযুক্তি যার কার্যক্ষমতা অনেক ব্যাপকমূলতঃ দুটি প্রধান কারণে আমরা ভিওআইপি ব্যবহার করবোএক. কম খরচ এবং দুই. ফাংশনালিটি বৃদ্ধি বা কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি

সাধারণ ফোন অপেক্ষা ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রটোকল অর্থাৎ ভিওআইপি
অনেক সাশ্রয়ী
এটি পাবলিক সুইচড টেলিফোন নেটওয়ার্ক
অর্থাৎ পিএসটিএন সার্ভিসের সমতুল্য
ভিওআইপির
ফাংশনালিটি ব্যাপক
কল সেন্টার একটি ভাল ইন্টারনেট
সংযোগের সহায়তায় যে কোনো অবস্থান হতে ভিওআইপি ফোন সহজে ব্যবহার করতে পারে

এক কথায়, ভিওআইপি প্রযুক্তিতে যথেষ্ট সুবিধা রয়েছেআমাদের দেশে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পর্কিত অনেক ব্যবসা
পরিচালনার সুযোগ থাকা (এখানে মানব সম্পদ কাজে লাগানো যায় অত্যন্ত অল্প খরচে) সত্ত্বেও
একমাত্র যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যয়বহুল হওয়ায় সে সুযোগ কাজে লাগানো সম্ভব হচ্ছে না
আমরা যদি পার্শ্ববর্তী দেশের সহিত কম খরচে যোগাযোগ করতে সক্ষম
হই তাহলে অনেক আউটসোর্সিংয়ের কাজ করতে পারবো আমাদের দেশে অবস্থান করেই
বিশেষ করে ছোট পরিসরের আউটসোর্সিংয়ের কাজ করা যাবেভিওআইপি প্রযুক্তির ফলে এ ধরনের প্রতিবন্ধকতা লাঘব করা যাবে
অনায়াসে
   

 

সফট্‌ওয়্যারে ভিওআইপি প্রযুক্তির ব্যবহার

 

বিভিন্নভাবে ভিওআইপি প্রযুক্তির ব্যবহার হয়ে থাকেএ ক্ষেত্রে বিশেষ ধরনের সফট্‌ওয়্যার ব্যবহার উল্লেখ করা যেতে পারেআর এটি বিভিন্ন মাধ্যমে হতে পারে যেমন পিসি, ল্যাপটপ, মোবাইলবিভিন্ন ধরনের ম্যাসেঞ্জার সফট্‌ওয়্যার ইয়াহু, স্কাইপে, গুগলটক ইত্যাদি
রয়েছে
এই সফট্‌ওয়্যারসমূহ ফ্রি ডাউনলোড
করা যায়
এতে ব্যবহারকারীর বিনামূল্যে
সার্ভিস পাবার সুবিধা রয়েছে
তবে সেক্ষেত্রে
প্রথমে নির্দিষ্ট সফট্‌ওয়্যারটি ইনস্টল করার পর অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন বা নিবন্ধন প্রক্রিয়া
সম্পন্ন করতে হয়
এদের যে কোনো একটি ম্যাসেঞ্জার
সফট্‌ওয়্যার ব্যবহার করে দেশে-বিদেশে যে কথা বলা যায় তা মূলতঃ ভিওআইপি প্রযুক্তিরই
অংশ
এক্ষেত্রে কম্পিউটার বা ল্যাপটপ
থাকাটা বাধ্যতামূলক
এরপরে ইন্টারনেটের
সহায়তায় একপ্রান্তের ব্যবহারকারী উক্ত সফট্‌ওয়্যার ব্যবহার করেন এবং অপরপ্রান্তের ব্যবহারকারীকেও
একই ধরনের সফট্‌ওয়্যার ব্যবহার করার মাধ্যমে বিনা খরচে কথা বলতে সক্ষম হন
এই পদ্ধতিটি কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের জন্য বেশ সহজবোধ্যএক্ষেত্রে ব্যবহারকারী কম্পিউটারের সহিত সংযুক্ত মাইক্রোফোন
কিংবা হেডফোন ব্যবহার করেন অপরপ্রান্তের ব্যবহারকারীর সঙ্গে কথা বলতে
এতে অতিরিক্ত সুবিধা হচ্ছে, এতে কথা বলা
ছাড়াও ওয়েবক্যাম-এর মাধ্যমে একে অপরকে দেখা যায়
অর্থাৎ সামনা সামনি কথা বলার মতো উভয় ব্যবহারকারী পরস্পরের মুখোমুখী রয়েছেন এমনটা
ঘটছে
এ ধরনের ব্যবস্থা কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের
মাঝে বেশ জনপ্রিয়
এতে ম্যাসেজ বা তথ্য আদান-প্রদান
ছাড়াও কথা বলা যাবে
, ভিডিও কল এবং এক সঙ্গে একাধিক ব্যবহারকারী একইসঙ্গে কথা বলা সহ ভিডিও কনফারেন্স
করতে পারবেন
এই সফট্‌ওয়্যার ব্যবহার করে দূরপ্রান্তে
যে কোনো ল্যান্ডফোন ও মোবাইলে কথা বলা সম্ভব হবে নির্দিষ্ট চার্জের মাধ্যমে

 

Normal
0

false
false
false

MicrosoftInternetExplorer4


/* Style Definitions */
table.MsoNormalTable
{mso-style-name:”Table Normal”;
mso-tstyle-rowband-size:0;
mso-tstyle-colband-size:0;
mso-style-noshow:yes;
mso-style-parent:””;
mso-padding-alt:0in 5.4pt 0in 5.4pt;
mso-para-margin:0in;
mso-para-margin-bottom:.0001pt;
mso-pagination:widow-orphan;
font-size:10.0pt;
font-family:”Times New Roman”;
mso-ansi-language:#0400;
mso-fareast-language:#0400;
mso-bidi-language:#0400;}

ফোনে ভিওআইপি প্রযুক্তির ব্যবহার    

আমাদের দেশে মোবাইল ফোনে আন্তর্জাতিক কল রিসিভ বা গ্রহণ করার
জন্য যে ভিওআইপি প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয় তার সঙ্গে আমরা বেশি পরিচিত
একটি মোবাইল bv¤^v‡i বিদেশ থেকে কল আসার সময় লক্ষ্য করা যায়, একটি দেশি মোবাইল bv¤^vi থেকে কিংবা টিএন্ডটি ফোন থেকে কল এসেছে বা কলার আইডির পরিবর্তে
প্রাইভেট
bv¤^vi লিখা
থাকে তখন বুঝতে হবে এটি ভিওআইপি প্রযুক্তির মাধ্যমে কল এসেছে
তবে এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ অবৈধমূলতঃ
এভাবেই ভিওআইপি প্রযুক্তির সমপ্রসারণ ঘটেছে
এখানে
কল টারমিনেশন হচ্ছে অবৈধ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে
যদিও সরকার চাচ্ছে কল টারমিনেশনের ব্যবসাটা বিটিসিএল (বিটিটিবি) করুকএতে বরং সরকারের আয় হবেধরা যাক, কল টারমিনেশনের চার্জ প্রতি মিনিটে ২.৫০ থেকে ৩ সেন্টকিন্তু প্রকৃতপক্ষে খরচ হচ্ছে প্রতি মিনিট ১.৫০ থেকে ১.৭৫
সেন্ট
ফলে এ খাতে সরকারের আয় হবে প্রতি
মিনিটে ১ থেকে ১.২৫ সেন্ট
 

 

যেভাবে
দেশে ভিওআইপি
র অবৈধ বিস্তার ঘটে

সূত্র মোতাবেক, ১৯৯৬ সালে ভিওআইপি প্রযুক্তির ব্যবহার
বিস্তার লাভ করতে থাকে
বিটিসিএল
ও বিটিআরসির সূত্রের তথ্য অনুযায়ী
, ১৯৯৬ সালের দিকে ভিওআইপি ছড়িয়ে যেতে থাকেযদিও আরেকটি সূত্র অনুযায়, ১৯৯৮ সালের আইএসপি প্রতিষ্ঠানসমূহ ভিওআইপি সার্ভিস শুরু করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব
করে এবং তারপর থেকে অবৈধভাবে কল টারমিনেশন শুরু হয়
মোটকথা,  সরকারীভাবে ¯^xK…wZ না থাকায় অবৈধভাবে ভিওআইপি প্রক্রিয়া চালু হয়এই প্রক্রিয়ার এর সঙ্গে জড়িত ছিল বিটিসিএল, মোবাইল অপারেটর, পিএসটিএন ও আইএসপি অপারেটরবিদেশী চক্রের সহায়তায় এসব প্রতিষ্ঠান ভিওআইপি ব্যবসা চালাতে
থাকে
  বলা হয়, অবৈধ ভিওআইপিকিন্তু প্রযুক্তি কখনো অবৈধ হতে পারে নাবলা বাহুল্য, ভিওআইপি উন্মুক্ত না থাকায় অবৈধভাবে এর তৎপরতা চলতে থাকে১৯৯৯ সালের দিকে এ তৎপরতা আরো ব্যাপকভাবে সমপ্রসারিত হয়গোপনভাবে কমার্শিয়াল ভবন ছাড়াও অনেকে বাসাবাড়ীতে বেশকিছু ল্যান্ডফোন লাইন (প্রায়
১৫-২০ টি ফোন লাইন)  নিয়ে ছোট আকারে ভি-স্যাট
ও গেটওয়ে স্থাপনের মাধ্যমে অবৈধ টার্মিনেশন চালিয়ে যেতে থাকে
আইএসপি ও মোবাইল অপারেটরের মাধ্যমে বৈদেশিক কলকে আন্তর্জাতিক টেলিফোন কোম্পানীর
মাধ্যমে লোকাল কল হিসেবে গ্রাহকদের নিকট চলে আসতো
আইএসপি ও মোবাইল অপারেটরকে দেয়া লাগতো এক থেকে দেড় সেন্ট এবং তারা লাভ করতো প্রায়
৬ সেন্ট
আর এ কারণেই তারা বিটিসিএলের
সঙ্গে চুক্তি করেও তাদেরকে কোনো কল দিতো না
জানা
গেছে
, এটি সহজ ব্যবসা হওয়ায় প্রায়
সকল রাজনৈতিক দলের লোকজন এতে জড়িয়ে পড়ে
সহজ উপায়ে
টাকা কামানোর একটি হাতিয়ার হিসেবে এই প্রযুক্তিকে ব্যবহার করেন
এছাড়া এ প্রক্রিয়ায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মদদ জোগায় টিএন্ডটি'র একশ্রেণীর
কর্মকর্তা ও কর্মচারী
সরকারী
এ প্রতিষ্ঠানটির ভূমিকা বরাবর রহস্যজনক ছিল
আর এদের
কারণে সরকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ সঠিক কার্যক্রম থেকে বিচ্যূত হয়ে পড়ে
তবে ভিওআইপি উন্মুক্ত হলে এ ধরনের তৎপরতা অনেকাংশেই রোধ করা
সম্ভব হবে

 

ভিওআইপি
নিয়ে পরিসংখ্যানগত তথ্য

 

একটি পরিসংখ্যান
মোতাবেক
, ১৯৯৬ সালে
প্রতিদিন গড়ে প্রতিদিন বৈধ পথে বিদেশ থেকে বাংলাদেশে তিন লাখ ৭৮ হাজার মিনিট কল আসতো
কিন্তু সেখানে
২০১০ সালে জানুয়ারী ও ফেব্রুয়ারী মাসে গড়ে প্রতিদিন বৈধ পথে তিন কোটি ১০ লাখ ৭২ হাজার
মিনিট কল আসতে থাকে
মূলত ২০০৮ সালের দিকে বিটিসিএল ছাড়াও
আরো তিনটি ইন্টারন্যাশনাল গেটওয়ের লাইসেন্স দেয়ার ফলে বৈধ পথে কল বেশি আসতে থাকে
২০০৮ সালের
দিকে বিটিসিএল ও তিনটি ইন্টারন্যাশনাল গেটওয়ে দিয়ে বৈধভাবে প্রতিদিন গড়ে এক কোটি ৯২
লাখ ১৯ হাজার ৮১৯ মিনিট কল আসে
বিটিসিএল সূত্রের
দাবি অবৈধ পথে রয়েছে ২০ শতাংশ
তবে টেলিকম
অবকাঠামো অপারেটরদের সংগঠন টিওআইবি
র তথ্য মতে, এটি এখনো ৫০
শতাংশ রয়েছে
১৯৯৬ সাল থেকে বিগত সময়ে অর্থাৎ
দেড় দশকে অবৈধভাবে ভিওআইপি প্রক্রিয়ার ফলে সরকার প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকার ক্ষতির
সম্মুখীন হয়েছে
অবৈধভাবে ভিওআইপি অভিযোগে বিগত তত্ত্বাবধায়ক
সরকারের আমলে মোবাইল অপারেটর ও পিএসটিএন অপারেটরদের নিকট হতে প্রায় সাড়ে ৮ শ
কোটি টাকা জরিমানা আদায় করেছে  

 

Normal
0

false
false
false

MicrosoftInternetExplorer4


/* Style Definitions */
table.MsoNormalTable
{mso-style-name:”Table Normal”;
mso-tstyle-rowband-size:0;
mso-tstyle-colband-size:0;
mso-style-noshow:yes;
mso-style-parent:””;
mso-padding-alt:0in 5.4pt 0in 5.4pt;
mso-para-margin:0in;
mso-para-margin-bottom:.0001pt;
mso-pagination:widow-orphan;
font-size:10.0pt;
font-family:”Times New Roman”;
mso-ansi-language:#0400;
mso-fareast-language:#0400;
mso-bidi-language:#0400;}

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০১০ সালে জানুয়ারী ও ফেব্রুয়ারী মাস নাগাদ
গড়ে প্রতিদিন বৈধ পথে তিন কোটি ১০ লাখ ৭২ হাজার মিনিট কল আসছে
ভিওআইপি উন্মুক্ত করার মাধ্যমে বৈধ কল টারমিনেট এর সংখ্যা
আরো কয়েকগুণ বাড়বে বলে ধারণা করা যাচ্ছে
অথচ ১৯৯৬
সালে বৈধ কলের সংখ্যা ছিল গড়ে প্রতিদিন তিন লাখ ৭৮ হাজার মিনিট
অবৈধ ভিওআইপি অপারেটরদের আন্তর্জাতিক কলের ক্ষেত্রে গড়ে চার্জ
পড়ে ১.৭৫ সেন্ট প্রতি কলে
, যেখানে বৈধ হলে আন্তর্জাতিক কলের ক্ষেত্রে এ চার্জ দাঁড়াবে ৩ সেন্ট প্রতি কলে

 

Normal
0

false
false
false

MicrosoftInternetExplorer4


/* Style Definitions */
table.MsoNormalTable
{mso-style-name:”Table Normal”;
mso-tstyle-rowband-size:0;
mso-tstyle-colband-size:0;
mso-style-noshow:yes;
mso-style-parent:””;
mso-padding-alt:0in 5.4pt 0in 5.4pt;
mso-para-margin:0in;
mso-para-margin-bottom:.0001pt;
mso-pagination:widow-orphan;
font-size:10.0pt;
font-family:”Times New Roman”;
mso-ansi-language:#0400;
mso-fareast-language:#0400;
mso-bidi-language:#0400;}

অবৈধভাবে
বেড়ে ওঠা ভিওআইপি বন্ধে সামপ্রতিক তৎপরতা

সরকারীভাবে ভিওআইপি উন্মুক্ত
না থাকায় অবৈধভাবে ভিওআইপি প্রযুক্তির প্রসার ঘটতে থাকে
যথাযথভাবে এর বৈধতা থাকলে হয়তো এই প্রযুক্তি নিয়ে এই অবৈধ তৎপরতা তেমনভাবে লক্ষ্য
করা যেতো না
তবে এর জন্য দায়ী কে? একটি কারণ হচ্ছে প্রযুক্তিকে উন্মুক্ত
না করা এবং আরেকটি কারণ
, বাংলাদেশ
টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন সংক্ষেপে বিটিআরসি নামক প্রতিষ্ঠানের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে
সংশ্লিষ্টতা থাকা
তৃতীয়টি হচ্ছে বিদেশী চক্রের
সহায়তা
এই যে সামপ্রতিক সময়ে ল্যান্ডফোন
প্রতিষ্ঠান ও আইএসপি প্রতিষ্ঠানসমূহে অভিযান চালানো এবং প্রতিষ্ঠানসমূহ হঠাৎ করে বন্ধ
করে দেওয়া এটি কোনো ইতিবাচক কাজের মধ্যে পড়ে না
তাহলে প্রশ্ন দাঁড়ায়, বিটিআরসি
তাদের দায়িত্ব কতটুকু পালন করছে
? অভিজ্ঞ মহল থেকে একটি দাবী ওঠেছে তা হচ্ছে মোবাইল অপারেটর প্রতিষ্ঠান এ তৎপরতার
সঙ্গে জড়িত থাকলেও এই রাঘব-বোয়ালরা ধরা ছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে
কেনইবা এমন বিমাতাসুলভ আচরণ, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যাচ্ছেকোনো প্রতিষ্ঠান বন্ধ না করে বরং অবৈধভাবে এর তৎপরতা যাতে
চলতে না  পারে সে ব্যাপারে ইতিবাচক ভূমিকা নেয়া
যুক্তিসঙ্গত নয় কি
?

 

ভিওআইপিতে
বিদেশী চক্র

বেশির ভাগ মোবাইল অপারেটর প্রতিষ্ঠানে
বিদেশী বিনিয়োগ সর্বাধিক
অনেক
ক্ষেত্রে এদের ভূমিকা আমাদের দেশের জন্য
ûgwK¯^iƒc| এরা আসলে কি করছেএদের
মধ্যে কেউ কেউ বিটিসিএল এর ইন্টারন্যাশনাল গেটওয়েকে পাশ কাটিয়ে সরাসরি বিদেশ থেকে টেলিফোন
কল বাংলাদেশের নেটওয়ার্কে ট্রান্সফার করছে
এতে করে
সরকার কোটি কোটি টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে
কিছু মোবাইল অপারেটর তাদের বিশেষ সিরিজের bv¤^vi ব্লক করার জন্য বিদেশী টেলিফোন
অপারেটরকে নির্দেশনা পাঠায়
অর্থাৎ
বিদেশী অপারেটরকে ঐ বিশেষ সিরিজের
bv¤^vimg~n
বিটিসিএল এর মাধ্যমে পাঠানোর ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেবিশেষ সিরিজের bv¤^vimg~n বিটিসিএল এ না পাঠিয়ে এর পরিবর্তে এই bv¤^vimg~‡n অবৈধভাবে
ভিওআপি
র মাধ্যমে পাঠানোর ব্যবস্থা করে ঐ বিদেশী টেলিফোন অপারেটরের সহায়তায়এক্ষেত্রে যতটুকু জানা সম্ভব হয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে, সিঙ্গাপুর, ব্যাংকক, কানাডা, স্পেন, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র প্রভৃতি দেশে
একটি শক্তিশালী টেলি সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে
এরাই
বরাবর অবৈধভাবে ভিওআইপি ব্যবসায় প্রযুক্তিগত সহযোগিতা দিয়ে আসছে
 কিন্তু
এ ক্ষেত্রে প্রশ্ন জাগে
,  তাহলে আমাদের দেশের কর্তৃপক্ষ
কি করছে
? সরকারের উচিত এদের বিরুদ্ধে
যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা এবং প্রযু্‌ক্িতগত অগ্রসর হওয়া
  

 

অবৈধভাবে
ভিওআইপি
প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতা

লক্ষ্য করা গেছে, যে কোনো প্রযুক্তির ক্ষেত্রে অবৈধ পথে
যথেষ্ট সীমাবদ্ধতা থেকে যায়
ভিওআইপিতে
এমন প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতার কারণে এর মানের দিক দিয়ে ঘাটতি দেখা দেয়
অনেক সময় দেশের বাইরে থেকে কল আসার সময় কথা ভেঙ্গে ভেঙ্গে
আসে
এ ব্যাপারে এ বিষয়ে অভিজ্ঞ একজন
প্রযুক্তিকর্মীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়
, যারা অবৈধভাবে ভিওআইপি ব্যবসা করছেন তাদের ইকুপমেন্ট বা যন্ত্রপাতি অপেক্ষাকৃত
নিম্নমানের হয়
তাদেরকে অবৈধ পথে ভিওআইপি ইকুপমেন্ট
সংগ্রহ করতে হয়
এতে পণ্যের কোয়ালিটি বা মান
যাচাই করার খুব বেশি সুযোগ থাকে না
তাছাড়া
পদ্ধতিগত কিছু ত্রুটি-বিচ্যুতির কারণে মান সম্পন্ন কথা শোনার ক্ষেত্রে ঘাটতি রয়ে যায়

 

বিশ্ব
টেলিযোগাযোগ দিবসে ভিওআইপি উন্মুক্ত করার ঘোষণা

এটা ঠিক যে, দূরবর্তী স্থানে কথা বলার খরচ কমিয়ে আনতে
ভিওআইপি নিঃসন্দেহে বড় ভূমিকা রাখবে
বার বার
ভিওআইপি উন্মুক্ত করার কথা শোনা যাচ্ছিল
বিগত
বছরগুলোতে এ নিয়ে অনেক কথা হয়েছে
উল্লেখ্য, বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ২০০৮ সালে পাঁচটি
প্রতিষ্ঠানকে ভিওআইপি
র লাইসেন্স দেয়প্রতিষ্ঠানসমূহ
হচ্ছে নোভোটেল লিমিটেড
, বাংলা
ট্রাক কমিউনিকেশন লিমিটেড
, মীর টেলিকম, এম অ্যান্ড এইচ টেলিকম এবং গ্যাটকো
টেলি কমিউনিকেশন্স লিমিটেড
সেসময়
খুব সীমিতভাবে ভিওআইপি ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ দেয়া হয়
ভিওআইপি নিয়ে কার্যকরী পদক্ষেপের অভাবে অবৈধভাবে ভিওআইপি ব্যবসা পরিচালিত হতে থাকেতবে এ ব্যাপারে আশা কথা শোনা যাচ্ছে

 

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো
আমাদের দেশে পালিত হলো বিশ্ব টেলিযোগাযোগ দিবস
সমপ্রতি এ দিবসে গত ১৬ মে, ২০১০ এ ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী রাজুউদ্দীন আহমদ রাজু জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ
সম্মেলনে বলেন
, সরকার ভিওআইপির জন্য নতুন আইন প্রণয়ন করছেআগামী জুনের মধ্যে আইনটি সংসদে পাস হবেআইন পাসের পরই সরকার নতুন করে ভিওআইপির সনদ
দেবে
দেরীতে হলেও সরকারের এ ঘোষণা আমাদের জন্য একটি শুভ বার্তা বয়ে এনেছেতিনি আরও উল্লেখ করেন, নতুন আইন হলে এর আওতায় নতুন নতুন প্রতিষ্ঠানকে
সনদ দেয়া হবে
আন্তর্জাতিক কলের চার্জও কমে
আসবে

 

ভিওআইপিকে আইনগত অবকাঠামোর মধ্যে
আনার জন্য ভিওআইপি উন্মুক্ত করা এখন চূড়ান্ত প্রায়
ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী উল্লেখ করেন, এ সংক্রান্ত গাইডলাইন এখন চূড়ান্ত পর্যায়েভিওআইপির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক কল টার্মিনেশন উন্মুক্ত করা হবে জুন-জুলাইয়ের মধ্যেঅবশ্য, এই সম্মেলনে মন্ত্রী ¯^xKvi
করলেন, আইনি প্রক্রিয়ায় জটিলতার কারণে ভিওআইপি উন্মুক্ত করার প্রক্রিয়া wejw¤^Z হচ্ছে  উক্ত
সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এর চেয়ারম্যান
মেজর জেনারেল (অবঃ) জিয়া আহমেদ
, বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানী লিমিটেডের (বিটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক
এস এম খবিরুজ্জামান
, টেলিটকের
ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজিবুর রহমান
, বাংলাদেশ সাবমেরিন কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনোয়ার হোসেন প্রমুখ  

 

কারা
বৈধভাবে ভিওআইপি ব্যবসার প্রস্তুতি নিচ্ছে

অবৈধভাবে ভিওআইপি ব্যবসায় সরকারের
কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ায় এবং ভিওআইপি উন্মুক্ত করা সহ প্রায় তিন হাজার ভিওআইপি লাইসেন্স
দেওয়ার ঘোষণায় অনেকেই বৈধভাবে ভিওআইপি ব্যবসার প্রস্তুতি নিচ্ছে
একটি সূত্র মোতাবেক, গ্রামীণফোন, বাংলা লিংক, রবি (একটেল), সিটিসেল, ওয়ারিদ প্রভৃতি মোবাইল অপারেটর ভিওআইপি
ব্যবসার পরিচালনার যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে যাচ্ছে
তাছাড়া ল্যান্ডফোন অপারেটর প্রতিষ্ঠানসমূহ নামে অথবা বেনামে ভিওআইপি ব্যবসা চালাতে
উদ্যোগ গ্রহণ করছে
এদের মধ্যে বন্ধ করা ল্যান্ডফোন
অপারেটর প্রতিষ্ঠানও রয়েছে
এভাবে
বৈধভাবে ভিওআইপি ব্যবসা চালু হলে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় করতে সক্ষম হবে

 

ভিওআইপি
বাংলাদেশে
, সম্ভাবনা
কতটুকু

বাংলাদেশে ভিওআইপি একটি নতুন
প্রযুক্তি বলা যায়
যদিও কয়েক বছর হয়ে গেলো এদেশে
ভিওআইপি প্রযুক্তির সমপ্রসারণ ঘটেছে
আর তা
অনেকটা অবৈধ তৎপরতায় বিসতৃত হয়েছে
এবার
ভিওআইপি আইনগতভাবে উন্মুক্ত হতে যাচ্ছে
এর ফলে
ভিওআইপি প্রযুক্তিগত সুবিধার মাধ্যমে সঠিকভাবে সামনের দ্বারপ্রান্তে এগিয়ে যাবে
এ লক্ষ্যে যাবতীয় কাজ এগিয়ে চলেছেভিওআইপিতে বাংলাদেশে যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে 

 

ভিওআইপির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক কল নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে সরকার
তিন হাজার লাইসেন্স প্রদান করবে
সমপ্রতি
ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব সুনীল কান্তি বোস এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন
তিনি উল্লেখ করেন, টেলিযোগাযোগ খাতের কর কাঠামো সংস্কার করে
বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি করতে চায় সরকার
এক্ষেত্রে
সিম ট্যাক্সসহ অন্যান্য কর হ্রাসের পদক্ষেপ নিবে
সরকার আগামী তিন-চার মাসের মধ্যে এ ব্যাপারে সকল ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করবেজনাব সুনীল কান্তি বোস আরও জানান, প্রায়
তিন হাজার ভিওআইপি অপারেটর তাদের ব্যবসা নির্বাহ করবে দুই থেকে আড়াই লক্ষ টাকা বিনিয়োগের
মাধ্যমে

 

বৈধ ও অবৈধভাবে দেশে চার হাজার কোটি টাকার কল টারমিনেশন ব্যবসা
হয়ে থাকে
টেলিকমিউনিকেশন ইনফ্রাস্ট্রাকচার
অপারেটর অব বাংলাদেশ এর (টিআইওবি) তথ্য মতে
, আন্তর্জাতিক টেলিকম ব্যবসায়ের সাড়ে তিন
হাজার কোটি টাকার বাজার রয়েছে
এই বাজারের
৪০ থেকে ৫০ শতাংশ অবৈধ ব্যবসায়ীর দখলে
ইতিমধ্যে
দূরপাল্লার টেলিযোগাযোগ নীতিমালা ২০১০ চূড়ান্ত
ভিওআইপি লাইসেন্স ইস্যু করবে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)আর চূড়ান্ত অনুমোদন দেবে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়আগামী তিন মাসের মধ্যে ভিওআইপি লাইসেন্স নিতে আগ্রহীদের জন্য
বিজ্ঞাপন দেয়া হবে
এরপরে বিটিআরসি আবেদন যাচাই-বাছাই
করে তা মন্ত্রণালয়ে উপস্থাপন করবে
এর চূড়ান্ত
অনুমোদন দিবে মন্ত্রণালয়
দূর পাল্লার
টেলিযোগাযোগ নীতিমালা অনুযায়ী ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে (আইআইজি) একাধিক হবে
এবং ইন্টারন্যাশনাল গেটওয়ে (আইজিডব্লিউ) সংখ্যা তিনটি থেকে চাহিদা মাফিক বাড়িয়ে দেয়া
হবে
এটি নির্ধারিত হবে কল টারমিনেট
এর সংখ্যা বিবেচনা সাপেক্ষে

 

 

 

Normal
0

false
false
false

MicrosoftInternetExplorer4


/* Style Definitions */
table.MsoNormalTable
{mso-style-name:”Table Normal”;
mso-tstyle-rowband-size:0;
mso-tstyle-colband-size:0;
mso-style-noshow:yes;
mso-style-parent:””;
mso-padding-alt:0in 5.4pt 0in 5.4pt;
mso-para-margin:0in;
mso-para-margin-bottom:.0001pt;
mso-pagination:widow-orphan;
font-size:10.0pt;
font-family:”Times New Roman”;
mso-ansi-language:#0400;
mso-fareast-language:#0400;
mso-bidi-language:#0400;}

ভিওআইপি কমিউনিকেশন বা যোগাযোগের একটি নতুন ফর্ম যা এনালগ
অডিও সিগনাল গ্রহণ করার পর তা ডিজিটাল সিগনালে বা প্যাকেটে রূপান্তরিত করে
এটি টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার একটি নতুন রূপসার্বিক টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থায় এই প্রযুক্তি যুগান্তকারী
প্রভাব বয়ে নিয়ে আসবে এতে কোনো সন্দেহ নেই
 

 

এমনটা আশা করা হচ্ছে, ভিওআইপি উন্মুক্ত করা হলে অবৈধ ভিওআইপি
অপারেটররা একটা আইনি ফ্রেমওয়ার্কে চলে আসবে
সংশোধিত
পলিসি অনুযায়ী অবৈধ ভিওআইপি অপারেটররা আইনগতভাবে তাদের ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে একটা
সুযোগ পাবে
ফলে তারা বৈধ এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে
কল টারমিনেট করতে সক্ষম হবে

 

বিশ্বের প্রতিটি দেশে যেখানে প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে ব্যাপক
পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায় সেখানে প্রযুক্তিতে আমরা দারুণভাবে অবহেলিত এবং এখনও অনেক
পিছিয়ে রয়েছি
এতোদিন পরও আমাদের দেশে তথ্য
ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে তেমন সাফল্য অর্জিত হয়নি
এতোদিন ভিওআইপি উন্মুক্ত ছিল নাএর ফলে
অবৈধভাবে ভিওআইপি সমপ্রসারিত হতে থাকে
ব্যাপক
আলোচনা ও সমালোচনার পর অবশেষে ভিওআইপি উন্মুক্ত করার ঘোষণা একটি ইতিবাচক দিক হিসেবে
চিহ্নিত
সেই সঙ্গে বৈধভাবে ভিওআইপি প্রযুক্তি
প্রসারে সকল দিক বিবেচনা করে একটি সঠিক নীতিমালা প্রণয়ন জরুরী হয়ে পড়েছে
অবশ্য, সরকারীভাবে বলা হচ্ছে নীতিমালা চূড়ান্ত পর্যায়েআইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভিওআইপিকে উন্মুক্ত করার ঘোষণা দেয়া
হবে খুব শীঘ্রই

 

এই রিপোর্টটি লেখার শেষ পর্যায়ে আমরা বিটিআরসির (বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ
কমিশন) সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করি এবং কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি
, এখন পর্যন্ত
তাদেরকে ভিওআইপি প্রযুক্তি নিয়ে কোনো নির্দেশনা
, গাইড
লাইন দেওয়া হয়নি
এমনকি ভিওআইপি অপারেটিং লাইসেন্স
ফি কত হবে সেটাও নির্ধারণ করা হয়নি
এ সম্পর্কে
আপডেট বা হালনাগাদ তথ্য জানার জন্য বিটিআরসি
র ওয়েবসাইটে খোঁজ রাখার পরামর্শ
দিলেন
তবে তাদের কথা অনুযায়ী বোঝা
যাচ্ছে ভিওআইপির নীতিমালা ও অন্যান্য বিষয়ে তারা তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন
আমরা আশা করছি ভিওআইপি নীতিমালাতে তরুণ উদ্যোক্তদের বেশি
সুযোগ দেওয়া হবে যা আমাদের দেশের জন্য অত্যন্ত সহায়ক হবে
এ থেকে সরকার সরাসরি বা প্রত্যক্ষভাবে বেশি লাভবান না হলেও পরোক্ষভাবে অনেক সুযোগ
সৃষ্টি হবে
এমনটাই চাচ্ছেন আমাদের দেশের
প্রযুক্তিবিদগণ
     

 

সাক্ষাৎকার

 

 

ড.এম.আব্দুল
আউয়াল

 

Normal
0

false
false
false

MicrosoftInternetExplorer4


/* Style Definitions */
table.MsoNormalTable
{mso-style-name:”Table Normal”;
mso-tstyle-rowband-size:0;
mso-tstyle-colband-size:0;
mso-style-noshow:yes;
mso-style-parent:””;
mso-padding-alt:0in 5.4pt 0in 5.4pt;
mso-para-margin:0in;
mso-para-margin-bottom:.0001pt;
mso-pagination:widow-orphan;
font-size:10.0pt;
font-family:”Times New Roman”;
mso-ansi-language:#0400;
mso-fareast-language:#0400;
mso-bidi-language:#0400;}

প্রফেসর, ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড কম্পিউটার সাইন্স ডিপার্টমেন্ট,

নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ

 

কোনো রকম বাধ্যবাধকতা ছাড়া ভিওআইপি উন্মুক্ত করা হোক

 

(প্রকৌশলী ডঃ মোহাম্মদ আব্দুল
আউয়াল তাঁর শিক্ষাজীবন ও পেশাগত জীবনে বর্ণাঢ্য জীবনের অধিকারী
তিনি ১৭ বছর যাবৎ টেলিকম সেক্টরে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেনএক্ষেত্রে তাঁর অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার mgš^q ঘটেছেবিখ্যাত এটিএন্ডটির বেল ল্যাবরেটরি এবং লুসেন্ট টেক এ তাঁর গবেষণার কথা উল্লেখ্যতিনি এই সুনামধন্য প্রতিষ্ঠানে সিনিয়র সাইন্টিস্ট (বিজ্ঞানী)
হিসেবে কাজ করেছেন
তাঁর সঙ্গে পরিচয়ের সূত্রপাত
ঘটে মাত্র কয়েকদিন আগে জাপান প্রবাসী ডঃ মশিউর রহমানের মাধ্যমে
তিনি দেশে একজন তারুণ্যদীপ্ত তথ্যপ্রযুক্তিবিদ হিসেবে ইতিমধ্যেই
সুবিদিত
দেশে খুব শীঘ্রই ভিওআইপি প্রযুক্তি
উন্মুক্ত হতে যাচ্ছে
এ বিষয়ে
ডঃ মশিউর রহমান স্যারের মুখোমুখি হতে চেয়েছিলাম
সেই আকাঙ্খায় তাঁকে ফোন করাতে জানতে পারি তিনি সেদিনই জাপানের উদ্দেশ্যে রওয়ানা
দিচ্ছেন
তিনি একবাক্যে ডঃ এম.আব্দুল
আউয়াল স্যারের কথা নিংসোকচে জানালেন এবং এ ব্যাপারে যোগাযোগ করারও পরামর্শ দিলেন
। )

 

আমাদের দেশে ভিওআইপি প্রযুক্তির
কতটুকু সুবিধা আমরা নিতে সক্ষম হবো এক প্রশ্নের জবাবে ডঃ এম. আব্দুল আউয়াল জানালেন
, টেলিযোগাযোগ ক্ষেত্রে ভিওআইপি অত্যন্ত
সাশ্রয়ী প্রযুক্তি
এতে খুব কম খরচে কথা বলা যায়, দরুণ মানুষ একে অপরের সঙ্গে বেশি যোগাযোগ
রক্ষা করতে সক্ষম হবে
এতে দেশের
মধ্যে দূরবর্তী স্থানে কথা বলা ছাড়াও পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তে কম খরচে কথা বলার সুযোগ
এনে দিবে
এছাড়া এতে তরুণ উদ্যোক্তাগণ
কম বিনিয়োগে ভিওআইপি ব্যবসার সুযোগ পাবে
এতে দেশের
মধ্যে দূরবর্তী স্থানে কথা বলা ছাড়াও পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তে কম খরচে কথা বলার সুযোগ
এনে দিবে
বাংলাদেশে বসে বিশ্বের যে কোনো
স্থানে যোগাযোগ রক্ষা করার ক্ষেত্রে প্রধান বাধা হচ্ছে টেলিযোগাযোগের খরচ
ভিওআইপি প্রযুক্তি এই বাধাকে দূরীভূত করবে

 

বাংলাদেশে ভিওআইপি প্রযুক্তির
সম্ভাবনা কতটুকু এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি উল্লেখ করেন
, ভিওআইপি উন্মুক্ত করার মাধ্যমে সরকার দেশে
একটি সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে যাচ্ছে
প্রাথমিক
অবস্থায় সরকার প্রত্যক্ষভাবে কম রাজস্ব আয় করতে পারলেও পরোক্ষভাবে দেশে এর মাধ্যমে
অনেকগুলো সম্ভাবনা সৃষ্টি করে দিচ্ছে
একটি
সম্ভাবনা হলো
, বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং অর্থাৎ
মানুষ এদেশে বসেই অন্যের ব্যবসা বা অন্যদেশের যে কোনো ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ পাবে
এতে করে দেশের মানুষের কর্মসংস্থান হওয়া ছাড়াও সার্বিক অর্থনৈতিক
প্রবৃদ্ধি বাড়বে
এছাড়া এদেশ থেকে    আন্তর্জাতিক কলের সংখ্যা অনেক বেশি বাড়বেআরেকটি সম্ভাবনা হচ্ছে এর মাধ্যমে অসংখ্য কলসেন্টার, হেল্পসেন্টার, টেলিমেডিসিন, টেলিসেন্টার প্রভৃতি সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান
গড়ে তোলা সম্ভব
এতে বিপুল সংখ্যক কর্মসংস্থান
তৈরি হবে
এদেশে বসেই পৃথিবীর বিভিন্ন
দেশে এ ধরনের সেবা দেওয়া যাবে
ফলে প্রত্যক্ষভাবে
ভিওআইপি প্রযুক্তিতে সম্ভাবনা কম হলেও পরোক্ষভাবে দেশে এর সম্ভাবনা ব্যাপক
আর এজন্যে তরুণ উদ্যোক্তাদের যারা অল্প পুঁজিতে ব্যবসা পরিচালনা
করতে চায় তাদের জন্য সুযোগ এনে দিতে হবে
এক্ষেত্রে
তিনি বলেন
, সরকার সরাসরি টাকা না নিয়েও
পরোক্ষভাবে অনেক সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে

 

প্রকৌশলী ডঃ এম. আব্দুল আউয়াল
ভিওআইপি নীতিমালা প্রসঙ্গে জানালেন
, কোনো রকম বাধ্যবাধকতা ছাড়া ভিওআইপি প্রযুক্তি উন্মুক্ত করা যেতে পারেএতে তরুণ উদ্যোক্তদের বিষয়টি বিবেচনায় আনতে হবেভিওআইপি অপারেটিং লাইসেন্সের ক্ষেত্রে সরকার একটা টোকেন ফি
নিতে পারেন সেটা ১০
,০০০ টাকা হতে পারেএতে সরকারের কোনো ক্ষতি নেইবরং এতে
করে কর্মসংস্থান গড়ে ওঠা ছাড়াও আইটি ও টেলিকমিউনিকেশন খাতে বিভিন্ন সম্ভাবনা সৃষ্টি
হবে
এছাড়া তিনি কথা প্রসঙ্গে আরো
জানালেন
, সাবমেরিন ক্যাবল ব্যান্ডউইথ
চার্জ বিক্রি করা যেতে পারে ১০
,০০০ টাকা প্রতি মাসেআর তা সকল ধরনের ইন্টারনেট নির্ভর হোম বিজনেস, ই-কমার্স ইত্যাদিতে প্রয়োগ করা যাবে। (এখানে বলা ভাল, তিনি দীর্ঘদিন বিটিটিবির সাবমেরিন ক্যাবল কনসালটেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন।)

 

আরেকটি প্রশ্নের উত্তরে তিনি
বললেন
, এক্ষেত্রে তরুণ উদ্যোক্তাদের
তেমন বিনিয়োগ করতে হবে না
অল্প
বিনিয়োগ করার মাধ্যমে তারা ব্যবসা চালাতে সক্ষম হবে
ভিওআইপি অপারেটিং এর জন্য ৩ থেকে ৪ লাখ টাকার ইকুপমেন্ট বা যন্ত্রপাতি খরচ লাগবেফি হতে পারে ১ থেকে ২ লাখ টাকাআর অন্যান্য কিছু খরচ রয়েছে

 

তিনি আরও উল্লেখ করলেন, যে কোনো প্রযুক্তিকে আটকে রাখাতে বা বন্ধ
রাখাতে দীর্ঘমেয়াদি কোনো লাভ নেই
বরং এতে
আমরা দিন দিন পিছিয়ে পড়বো
প্রযুক্তিটিকে
যত তাড়াতাড়ি উন্মুক্ত করার মাধ্যমে অনেকগুলো সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেওয়া হচ্ছে
এতে করে দেশে বহুমুখী সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং কর্মসংস্থানও
বাড়বে আশাতীতভাবে
 

 

উল্লেখ্য, প্রকৌশলী ডঃ মোহাম্মদ আব্দুল আউয়াল দেশের
আইটি ও টেলিকম সেক্টরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ ও দিক-নির্দেশনা দিয়ে আসছেন
তিনি দেশের সার্বিক টেলিকম এবং আইটি শিল্পের বিভিন্ন পরিকল্পনা
প্রণয়ন
, নীতিমালা বিষয়ে কাজ করেছেনবর্তমানে তিনি দেশে-বিদেশে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে চলেছেন

 

 

 

Normal
0

false
false
false

MicrosoftInternetExplorer4


/* Style Definitions */
table.MsoNormalTable
{mso-style-name:”Table Normal”;
mso-tstyle-rowband-size:0;
mso-tstyle-colband-size:0;
mso-style-noshow:yes;
mso-style-parent:””;
mso-padding-alt:0in 5.4pt 0in 5.4pt;
mso-para-margin:0in;
mso-para-margin-bottom:.0001pt;
mso-pagination:widow-orphan;
font-size:10.0pt;
font-family:”Times New Roman”;
mso-ansi-language:#0400;
mso-fareast-language:#0400;
mso-bidi-language:#0400;}

. মশিউর রহমান

(. মশিউর রহমান স্যারের সঙ্গে আমার পরিচয় খুব বেশি দিন নয়। ব্যক্তি হিসেবে তিনি খুব অমায়িক। তিনি দেশেবিদেশে যেখানেই থাকুন না কেন, তাঁর সঙ্গে আমার যোগাযোগ থাকবে এটা আমি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি। মূলত সেই যোগাযোগ কম্পিউটিংয়ে বাংলাকে ব্যাপকভাবে প্রসারে কাজ করার লড়্গ্যে। বাংলা জনপ্রিয় ওয়েবসাইট বিজ্ঞানী ডট অর্গানাইজেশনএর তিনি সম্পাদক। এই ওয়েবসাইটে একটি লাইন আমাকে ভীষণভাবে আলোড়িত করেছে তা হচ্ছে প্রযুক্তি গ্রহণে দেরী করলে দেশ পিছিয়ে যাবে। সত্যি প্রযুক্তি গ্রহণে দেরী করার কারণে আমরা পিছিয়ে পড়ছি। বর্তমানে তিনি জাপানে অবস্থানরত। তিনি সেখানে ইনস্টিটিউট ফর মলকিউলার বায়োমলকিউলার সাইন্স বিভাগে ভিজিটিং সাইন্টিস্ট হিসেবে কর্মরত। জাপানে শত ব্যসত্মতার মাঝে . মশিউর রহমান স্যার আমাকে সময় দিলেন।)

আমরা দেশে বসেই আশা করছি, খুব শীঘ্রই ভিওআইপি প্রযুক্তি উন্মুক্ত হবে। নিয়ে যথেষ্ট আগ্রহ আমাদের মাঝে। দেশে প্রযুক্তিগতভাবে আমরা আরো অগ্রসর হতে পারবো। তরম্নণ উদ্যোক্তাগণ গভীর আগ্রহে অপেড়্গা করছেন তারা কতটুকুইবা সুযোগ পাবেন। তবে ভিওআইপি প্রযুক্তি উন্মুক্ত হওয়ার ব্যাপারে জাপানে অবস্থানরত . মশিউর রহামান এর মতামত জানতে চেয়েছিলাম, তিনি যা বলেন তা নিম্নে
উল্লেখ করা হলো-

টেকনোলজি টুডে: বাংলাদেশে ভিওআইপির সম্ভাবনা কতটুকু

ড. মশিউর রহমান: আমরা নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি গবেষনা করে দেখেছি, বাংলাদেশে যারা ভিওআইপি নিয়ে কাজ করছে, তারা বেশিরভাগই বয়সে তরুন। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা তেমন না থাকলেও অন্যের কাছে শিখে যে কারিগরি দক্ষতা অর্জন করেছে তা সত্যিই প্রশংসনিয়। একবার একটি সেমিনারে আমি এই যুবকদের "বাঘের বাচ্চা" বলে সম্মোধন করেছিলাম। আমি দীর্ধদিন এদের সাথে কাজ করে দেখেছি, কারিগরি জ্ঞানে এরা সত্যিই অতুলনীয়। প্রয়োজনীয় নীতিমালার অভাবে আমরা এদের খোঁজ পাচ্ছিনা, আমরা এদেরকে ঠিকমত ব্যবহার করতে পারছিনা ভিওআইপি কে একটি ভাল কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আনতে পারলে আমরা এই যুব সমাজকে কাজে লাগাতে পারব।

 
টেকনোলজি টুডে: এর নীতিমালা বিষয়ে আপনার কোনো মতামত থাকলে?

ড. মশিউর রহমান: আমি প্রথম  থেকেই বলে আসছি যে কলসেন্টারের  মত শিথিল একটি লাইসেন্স ভিওআইপি  অপারেটরদের দেয়া হোক। বেশ  কিছু সেমিনারে  প্রবন্ধে সরকারকে এটি বোঝাতে চেয়েছি। অবশেষে সরকার যে সাড়ে তিন হাজার ভিওআইপি অপারেটিং লাইসেন্স দেয়ার কথা বলছে তাকে সাধুবাদ জানাই। তবে খুব দেরী
হয়ে গেল, আরো আগে হলে ভাল হত। ২০০০ সনেও সরকার একবার একই
কথা বলেছিল,
কিন্তু পরবর্তিতে তা প্রয়োগ হয়নি। এবারও সেইরকম একটি ভয় থেকেই যাচ্ছে।

এই বিষয়ে  একটি মন্তব্য করব। একদিন  আমার ছাত্র/ছাত্রীদের নোট দিতে যেয়ে বলেছিলাম, আমাদের দেশে
প্রযুক্তিগত বিষয়গুলি গড়ে বছর পরে প্রয়োগ হয়। ভিওআইপি আমেরিকাতে ভালমত যাত্রা শুরু করেছিল ২০০২ সনে, আর বাংলাদেশে এখন যাত্রা শুরু করবে (বৈধ কাঠামো দিয়ে) যখন ২০১০ সন। এমনভাবে আইএসপি,
ডিসিএল অন্যান্য প্রযুক্তিতে এই বছর পিছিয়ে থাকা দেখা যায়।
 

 
টেকনোলজি টুডে: ভিওআইপি কতটুকু সুবিধা আমরা নিতে সক্ষম হবো?

ড. মশিউর রহমান: ভিওআইপি আমাদের অনেক কারিগরিভাবে সুবিধা দিবে যা আপনারা অনেক যায়গাতেই জানতে পারবেন। তবে আমি  একটু অন্যভাবে এর business এর অংশটি ফোকাস করব। সাধারণত কেউ যদি একটি মোবাইল কম্পানি দিতে চায়, তবে তাকে একটি বিশাল ইনভেস্টমেন্ট নিয়ে নামতে হয়। কিন্তু ভিওআইপি কল্যাণে, পুরো সিস্টেমটিতে যেহেতু open structure বেশী ব্যবহৃত হয়, তাই যে কেউ খুব সহজে এখানে বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস দিতে পারে। যেমন কেউ একজন IVR (Interactive Voice Response) এর কোড লিখতে জানে, সে খুব সহজেই একটি IVR সার্ভিস প্রোভাইডারের কম্পানি খুলতে পারে। এইভাবে ছোট ছোট বিজনেস এর সম্ভবনা রয়েছে এই ভিওআইপি প্রযুক্তিতে। অনেকটা মাইক্রোক্রেডিট এর ক্ষুদ্র উদ্দোক্তা এর মত, আমাদের যুবসমাজের জন্য সম্ভাবনার দার খুলে দিবে।

(লেখাটি মাসিক টেকনোলজি টুডেতে প্রকাশিত)

 

About সাদ আব্দুল ওয়ালী

একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে সহকারী ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত। ২০০১ ইং সালে ‘ই-বিজ’ নামক মাসিক পত্রিকায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক লেখা প্রকাশ হয়। পরবর্তীতে বেশকিছু জাতীয় দৈনিক ও মাসিক পত্রিকায় লেখা প্রকাশ হলেও মাসিক টেকনোলজি টুডে পত্রিকায় বিভাগীয় সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমান বাংলাদেশে ই-লার্নিং সেন্টার বা প্লাটফরমের তাগিদ অনুভব করায় ইলেকট্রনিকস প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষার অর্থাৎ অনলাইনে জানতে ও জানাতে ই-লার্নিংবিডি.কম (www.e-learningbd.com) সাইট চালু করেন যার মূল শ্লোগান হিসেবে ‘Click for Easy Learning’ এবং প্রধান সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

Check Also

আলোচিত প্রোফাইল: মার্ক জুকারবার্গ

{mosimage}সামাজিক নেটওয়ার্ক সাইট ফেসবুক খুবই জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। এর বদৌলতে সামাজিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে ব্যাপক পরিবর্তন …

ফেসবুক কমেন্ট


  1. amader jonno valo khobor holeo. Implement hote koto somoy lagbe setai asol kotha.

  2. ভাই অনেক কিছু জানতে পারলাম । ধন্যবাদ ।
    bdtender

  3. Khub proyojoniyo akta lekha.dr moshiur sir ar mail address ta needed

  4. আপনারা এতোদিন বিভিন্ন ভিপিএন দিয়ে বিভিন্নভাবে ফ্রি ইন্টারনেট ব্যবহার করে এসেছেন। কিন্তু সেগুলোর নিদিষ্ট কিছু বাধ্যবাধকতা ছিল। যার কারনে অফুরন্ত ডাটা ব্যবহার করা যেত না।তো আজকে আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি এমন একটি ভিপিএন যার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।
    http://www.sangbadprotidin.com/97049#.WHYBdbnfI1k

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।