ক্যারিয়ার গড়তে হোমিওপ্যাথি

{mosimage}

Normal
0

false
false
false

EN-US
X-NONE
X-NONE

/* Style Definitions */
table.MsoNormalTable
{mso-style-name:”Table Normal”;
mso-tstyle-rowband-size:0;
mso-tstyle-colband-size:0;
mso-style-noshow:yes;
mso-style-priority:99;
mso-style-qformat:yes;
mso-style-parent:””;
mso-padding-alt:0in 5.4pt 0in 5.4pt;
mso-para-margin-top:0in;
mso-para-margin-right:0in;
mso-para-margin-bottom:10.0pt;
mso-para-margin-left:0in;
line-height:115%;
mso-pagination:widow-orphan;
font-size:11.0pt;
font-family:”Calibri”,”sans-serif”;
mso-ascii-font-family:Calibri;
mso-ascii-theme-font:minor-latin;
mso-fareast-font-family:”Times New Roman”;
mso-fareast-theme-font:minor-fareast;
mso-hansi-font-family:Calibri;
mso-hansi-theme-font:minor-latin;}

আধুনিক বিশ্বে প্রযুক্তির উন্মেষ ঘটিয়ে দ্রুত এগিয়ে চলেছে বিশ্ব তারই ধারাবাহিকতায় নব নব পেশার সম্মিলন ঘটে চলেছে আমাদের চারপাশে মানুষ স্বাভাবিকভাবেই আধুনিক প্রবন ফলে আধুনিকতা সমৃদ্ধ পেশার চাহিদা সবসময়ই বৃদ্ধির পথে সারাবিশ্বে আধুনিকতার উন্নয়নের সাথে সাথে এমন অনেক পেশা রয়েছে যাদের চাহিদা বিন্দুমাত্র হ্রাস পায়নি হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার তার মধ্যে অন্যতম হোমিওপ্যাথিক শিক্ষা অর্জন করেই হতে হয় হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার

{mosimage}

Normal
0

false
false
false

EN-US
X-NONE
X-NONE

/* Style Definitions */
table.MsoNormalTable
{mso-style-name:”Table Normal”;
mso-tstyle-rowband-size:0;
mso-tstyle-colband-size:0;
mso-style-noshow:yes;
mso-style-priority:99;
mso-style-qformat:yes;
mso-style-parent:””;
mso-padding-alt:0in 5.4pt 0in 5.4pt;
mso-para-margin-top:0in;
mso-para-margin-right:0in;
mso-para-margin-bottom:10.0pt;
mso-para-margin-left:0in;
line-height:115%;
mso-pagination:widow-orphan;
font-size:11.0pt;
font-family:”Calibri”,”sans-serif”;
mso-ascii-font-family:Calibri;
mso-ascii-theme-font:minor-latin;
mso-fareast-font-family:”Times New Roman”;
mso-fareast-theme-font:minor-fareast;
mso-hansi-font-family:Calibri;
mso-hansi-theme-font:minor-latin;}

বাংলাদেশসহ পৃথিবীর অনেক উন্নতদেশেই হোমিওপ্যাথিক চিকিসার যথেষ্ট কদর রয়েছে। হোমিও প্যাথিক চিকিসার অন্যতম আকর্ষণ হচ্ছে হোমিওপ্যাথিক ঔষধে কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। ফলে সংক্রান্ত
চিকিসা
সেবা গ্রহণ করতে আমাদের দেশে প্রচুর মানুষ রয়েছে। চিকিসা
শাস্ত্রের অন্যতম একটি ক্ষেত্র হোমিও চিকিসা। এই চিকিসা
যারা প্রদান করেন তাদেরকেই মূলত হোমিও প্যাথিক ডাক্তার হিসেবে বিবেচিত করা হয়।

বাংলাদেশে
হোমিও চিকিসার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বিশেষ করে স্বল্প খরচে চিকিসা
সেবা প্রদানের কারণে এবং পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াবিহীন চিকিসার কারণে বিপুল সংখ্যক মানুষ হোমিও চিকিসার উপর নিভর্রশীল। ফলে হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করলে আজীবন উপার্জন করা সম্ভব। বরং এই পেশার সবচেয়ে ভাল দিক হচ্ছে এই পেশাতে নিয়োজিত ডাক্তারদের যত অভিজ্ঞতা বৃদ্ধি পাবে ততই আয় বৃদ্ধি পেতে থাকে। এমনকি হোমিও চিকিসকরা আজীবন চিকিসা
প্রদানের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করে যেতে সক্ষম।

সুবিধাঃ

হোমিও
চিকিসক
হিসেবে ডিএইচএমএস কোর্স
(ডিপ্লোমা)
এবং বিএইচএমএস কোর্স
(বাচেলর)
সম্পন্নকারীরা হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার হিসেবে সরকার কতৃক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত হবার মাধ্যমে সারাদেশে হোমিও চিকিসা
প্রদান করতে পারেন। এছাড়াও শিক্ষাসম্পন্নকারীরা সরকার কর্তৃক পরিচালিত বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়োগ পেতে সক্ষম। হোমিওপ্যাথি ডাক্তারদের যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে সারাদেশ ব্যাপী।

বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে হোমিওপ্যাথিক চিকিসা
সংক্রান্ত
পড়ালেখা সম্পন্ন করার পর হোমিও ডাক্তার হিসেবে প্রত্যেকেই একটি রেজিস্ট্রেশন নম্বর অর্জন করে। যার ফলে সরকারি চাকরির উপর নিভর্রশীল না হয়ে বেশিরভাগই স্ব উদ্যোগে চিকিসা
সেবায় নিয়োজিত হয়ে থাকেন। এই পেশাতে উল্লেখযোগ্য সুবিধা হচ্ছে,
একজন হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার বাংলাদেশের যে কোন প্রানে
নিজ সুবিধাজনক স্থানে চিকিসা
সেবা শুরু করতে সক্ষম। এই পেশাতে সদ্য পাশ করা একজন ডাক্তার প্রাথমিকভাবে প্রতিমাসে ৩০-৫০ হাজার টাকা উপার্জন করেত সক্ষম হয়ে থাকে। তবে এই পেশাতে যোগ্যতার দাম অনেক বেশি। একজন রোগীকে ডাক্তার হিসেবে কত দ্রুত সুস্থ করতে পারেন অর্থা হোমিওপ্যাথিক চিকিসায় একজন চিকিসকের হাতের যশের উপর নিভর্র করে উপার্জনের পরিমাণ। অভিজ্ঞতার সাথে সাথে বৃদ্ধি পেতে পারে একজন হোমিওপ্যাথিক চিকিসকের প্রতিমাসের উপার্জনের পরিমাণও। অভিজ্ঞতার সংমিশ্রণের মাধ্যমে চিকিসায় সফল একজন চিকিসকের প্রতিমাসের বেতন ৭০-৮০ হাজার টাকা পর্যন্তহতে পারে। ফলে ক্যারিয়ার হিসেবে যে কেউ এই পেশাকে গ্রহণ করতে পারেন। সেই সাথে দেশের চিকিসা
সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করনের মাধ্যমে দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতের উন্নয়নে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে পারেন।

আমাদের দেশে চাকরির পদের তুলনায় চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যা দিন দিনই বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে। ফলে প্রতিবছরই ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে শিক্ষিত বেকার জনগোষ্ঠীর সংখ্যা। বাস্তবতার নিরীক্ষে বাংলাদেশে প্রয়োজন বিশেষায়িত শিক্ষার। যার মাধ্যমে শিক্ষা সম্পন্ন করার পরপর কেউ যেন চাকরির পিছনে না ছুটে স্বনিভর্রতার সাথে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়ে উঠে। এরই ধারাবাহিকতায় হোমিওপ্যাথিক চিকিসায়  ডিগ্রী অর্জনের মাধ্যমে নিজেকে দক্ষ হোমিও চিকিসক
রূপে ক্যারিয়ার শুরু করা সম্ভব। হোমিও চিকিসায় নিয়োজিত হলে এবং সফলভাবে চিকিসা
কার্যক্রম পরিচালনা করতে সক্ষম হলে আপনার ক্যারিয়ার আজীবন সচল থাকবে কোন বিরতী ছাড়াই।

বাংলাদেশে অগনিত মানুষ রয়েছে যারা কেবলমাত্র হোমিওপ্যাথিক চিকিসা
সেবা গ্রহণ করে থাকে। বিশেষ করে হোমিওপ্যাথি চিকিসা
স্বল্পমূল্যে করা সম্ভব হবার কারণে এবং হোমিও ঔষধের মূল্যে অনেক কম হবার কারণে বাংলাদেশের বিশাল জনগোষ্ঠী হোমিওপ্যাথিক চিকিসা
সেবার উপর নিভর্রশীল। যার ফলশ্রুতিতে এই পেশাতে নিয়োজিত চিকিসকদের ক্যারিয়ারে প্রতিষ্ঠা পেতে বেশিদিন প্রয়োজন হয় না।

হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজে শিক্ষা অর্জনের মাধ্যমে স্বল্প ব্যয়ে এবং স্বল্পসময়ে হোমিওপ্যাথিক চিকিসক
রূপে জনগণের চিকিসা
প্রদান করা সম্ভব। সেই সাথে দেশের স্বাস্থ্যখাতে সরাসরি অবদান রাখার পাশাপাশি নিজের অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা আনয়ন সম্ভব। হোমিওপ্যাথিক চিকিসক
হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি ক্যারিয়ারে সফল হতে অনেকেই এখন হোমিওপ্যাথিক চিকিসক
হিসেবে নিজের ক্যারিয়ার শুরু করছে। আপনি যদি এই পেশাতে ভব্যিষতে কাজ করতে চান তবে অবশ্যই দ্রুত সিদ্ধান
গ্রহণ করুন

আমাদের দেশে
হোমিওপ্যাথিক চিকিসক তৈরিতে
২টি মেডিকেল কলেজ
রয়েছে। তার মধ্যে
১টি সরকারি হোমিও
প্যাথিক মেডিকেল কলেজ
এবং ১টি বেসরকারি
হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ এছাড়াও সারা
বাংলাদেশে হোমিও প্যাথিক
চিকিসক তৈরিতে
৩৭টি ইনস্টিটিউট রয়েছে।

হোমিও চিকিসক হিসেবে
বাংলাদেশে যথেষ্ট সম্মান
এবং স্বচ্ছলতার সাথে
জীবনযাপন করা সম্ভব।
সাফল্যজনক ভাবে শিক্ষা
অর্জনকারী ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে
প্রায় সকলেই স্বউদ্যোগে
হোমিওপ্যাথিক চিকিসক হিসেবে
সাফল্য অর্জন করতে
সচেষ্ট হয়েছে

আর ও অধিক তথ্যের
জন্য এখানে ক্লিক করুন।

ফেসবুক কমেন্ট


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

You may use

আপনি চাইলে এই এইচটিএমএল ট্যাগগুলোও ব্যবহার করতে পারেন: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>

*