Home / বিজ্ঞান বিষয়ক খবর / কু-সংস্কার ভুলে বাস্তবে চোখ রাখুন।

কু-সংস্কার ভুলে বাস্তবে চোখ রাখুন।

 রহস্যে ঘেরা পৃথিবী, আর বাস্তবতা ভুলে আমরা দৌড়ায় কু-সংস্কারের পেছনে ।

প্রথমে সহজ একটা বিষয় নিয়ে আলাপ করি। এই ধরুন , সমুদ্র তৈরি হল কেমন করে? পৃথিবীর মাণচিত্রটা মাপজোখ করে দেখা গেছে, পাঁচটা মহাসমুদ্র আর ছেষষ্টিটা সমুদ্র মিলিয়ে পৃথিবীর প্রায় একাত্তর ভাগ অংশই পানিতে ঢেকে আছে। আর বাদ বাকিটা আছে ডাঙ্গা, অর্থাৎ মহাদেশ। মজার ব্যপার হলো সমুদ্রোর কোথাও কোথাও এত গভীর যে, সেখানে পৃথিবীর সবচেয় উঁচু পাহাড় এবং হিমালয় কে ছেড়ে দিলেও দেখতে পাওয়া যাবেনা, পাহাড় ডুবে যাবে অনায়াসে। তাই মনে স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন আসে, এত বিশাল আর গভীর সমুদ্র কিভাবে তৈরি হলো ? এখানে নানান মানুষের নানা মত। কেউ বলে এটা দেব দেবতাদের ব্যাপার, আবার কেউ বলে এসব চিন্তা করা আমাদের জন্য পাপ, যা না বুঝি তাই নিয়ে বাড়াবাড়ি। আবার অনেকের ধারণা অজানা শক্তির কারণে পৃথিবীর এমন অবস্থা। আরও কত রকম কু-সংস্কার! জড়িয়ে আছে, তা আমি উল্লেখ করতে চাচ্ছি না। এসব প্রশ্নের উত্তর ভূ-বিজ্ঞানিরা এভাবে দিয়েছেন। প্রথম উল্লেখ যোগ্য মতবাদটি জিনি দিয়েছেন তাঁর জন্ম পরিচয়ের  কথা শুনলে,  অনেকেই মুখ ফিরিয়ে নিতে পারেন। তিনি হচ্ছেন, বিবর্তনবাদের প্রবক্তা চার্লস ডারউনের ছেলে জর্জ ডারউইন। আমি গর্ব করে লিখতে চাচ্ছি সাথে থাকবেন, তাহলে সত্য আপনের কাছে বড় হয়ে যাবে। যাক ও সব ধুন-ফুন বাদ দিয়ে, জানা না থাকলে, জেনে নেয়াই ভাল। ১৮৭৮ সালে জর্জ ডারউইনশুনিয়েছিলেন মহাহাসাগর সৃষ্টির ব্যাপারে আশ্চর্য চমকপ্রদ কথা। তিনি বললেন, প্রায় চারশত কোটি বছর আগে পৃথিবীর বাইরের খোলস যখন পুরোপুরি শক্ত হয়নি, ভেতরে নরম গরম অবস্থা। সেই সময়ে সূর্যের টানে পৃথিবীর তরল বুক থেকে খানিকটা অংশ ছিটকে বেরিয়ে গিয়েছিল মহাকাশে। সেই উপরে চলে যাওয়া অংসই হলো চাঁদ। এ থেকে বোঝা যায় পৃথিবী জন্মের পরই এমন ছিল না। একটা ডিম যেমন মুরগির পেট থেকে বের হওয়ার পর পর নরম এবং গরম থাকে, ঠিক তেমন বলতে চাচ্ছে জর্জ ডারউইন।
যা হোক কথায় ফেরা যাক, আর এরই ফলে পৃথিবীর বুকে তৈরি হলো এটা বিরাট গর্ত। যার নাম প্রশান্ত মহাসাগর। জর্জ ডারউইনের এই মতবাদ ঊনিশ ও বিশ শতকের প্রথম দিকে খুব আলোড়ন তুলছিল কিন্তু পরবর্তী সময়ে কোন বিজ্ঞানিই আর এ মতবাদ বিশ্বাষ করেননি। এই মতবাদের বিরুদ্ধে বিজ্ঞানিরা যুক্তি দিলেন ভূ-স্তর সৃষ্টির পর তা যত পাতলাই হোক এমনই কঠিন হয়ে পড়েছিল যে । তখন তার পে আর পৃথিবী থেকে উৎপ্তি হওয়া সম্ভব ছিল না। তা ছাড়া প্রায় সব বিজ্ঞানিই এখন মেনে নিয়েছেন, কেবল মাত্র চাঁদই নয় অন্যান্য গ্রহের উপগ্রহগুলোও সৃষ্টি হয়েছে গ্যাসিয় অবস্থায়। মানুষ চাঁদ থেকে ঘুরে আসবার পর দেখা গেছে, চাঁদের মাটিতে এমন সব বস্তুর সন্ধান মিলেছে, যা এ যাবৎ খোদ পৃথিবীতে মেলেনি। আবার বয়সের হিসেবে দেখা গেছে, চাঁদের পাথরের বয়স পৃথিবীর পাথরের চেয়ে খানিকটা বেশি। তাহলে কু-সংস্কার লোকের হিসেব কোথাই গেল? আসলে মনে হয় সব আন্দাজে অন্ধ বিশ্বষের মত শুধু খামাখাই তর্ক করে দেবতারা মিলে এসব পাহরা দিচ্ছে এবং দেখাশুনা করছে। সেকথা বলে আমি তর্কে যচ্ছি না। আগের কথার শেষ করি উল্লেখিত ওসব মতবাদ থেকে আমরা বুঝি চাঁদের পাথর হয়তো পৃথিবীর কিছু আগেই ঠান্ডা হয়েছে।
আর মহাকাশ সৃষ্টির ব্যাপারে সবচেয়ে উল্লে যোগ্য তত্ত্বটি দিয়েছেন জার্মান ভূ-বিজ্ঞানি ওয়েগনার। ১৯১২সালে প্রচারিত ‘চলমাণ মহাদেশ’ তত্ত্বটিতে তিনি মহাশাগর সৃষ্টির কথা বলেন।
অন্য দিকে ওয়েগনার বলছেন, আজ থেকে পচিশ কোটি বছর আগেও পৃথিবীর মহাদেশ আর সমুদ্র এই রকম ছিল না। তখন পৃথিবীর সব মহাদেশগুলো একটিই মহাদেশ ছিল। সেই আদি প্রাগৈতিহাসিক মহাদেশ ঘিরে ছিল এক আদি মহাসমুদ্র প্যানথালসা। ওয়েগনারের মতে, আজ থেকে বিশ কোটি বছর আগে প্রাকৃতিক কারণে মহাদেশদুটো দুটি টুকরে ভেঙে গিয়ে সরে গেল, একে অন্যের কাছ থেকে। তাদের একটা টুকরোর নাম ‘গন্ডোয়ানা’। এতে ছিল দণি আমেরিকা, আফ্রিকা, ভারত,অষ্ট্রেলিয়া আর কুমেরু। অন্যটার নাম ‘লরেশিয়া’। এতে ছিল ইউরোপ, এশিয়া, গ্রীনল্যান্ড এবং উত্তর আমেরিকা। এই দুই মহাদেশের মাঝখানে রইল ‘টেথিস’ সাগর। এর পরে গন্ডোয়ানা আর লরেশিয়া আরও কয়েকটা টুকরোই ভেঙে গিয়ে ছড়িয়ে পড়ল চারিদিকে, আর তাদের মাঝখানে আদি মহাসাগর ‘প্যানথালাসার’ রুপ বদল হয়ে জন্ম নিল আজকের মহাসাগরগুলো। দণি আমেরিকা ও আফ্রিকা ভেঙে সরে গেল গন্ডোয়ানা থেকে। এদের মাঝে জন্ম নিল আটলান্টিক মহাসাগর। এছড়া কিছু সেকেলে তত্ত্ব রয়েছে এ’দুটি তত্ত্ব আধুনিক প্রযুক্তি বিজ্ঞানিদের মতের মত।

প্রিয় পাঠক এখন পৃথিবী নিয়ে একটু আলচনা করব। পৃথিবী সৌরজগতের অন্যতম গ্রহ যার আনুমানিক বয়স ৪,৬০০ মিলিয়ন বছর। আর এর আয়োতন ৫১,০০,৬৬,০০০ বর্গ কিলোমিটার। বিশাল জলভাগ আর স্থলভাগে পৃথিবী গঠিত। বিশাল এই জল রাশিকে বলা হয় মহাসমুদ্র। আর স্থলভাগকে বলা হয় মহাদেশ। আমাদের পৃথিবীর মোট স্থলভাগের আয়োতন ১৫ কোটি ৬ ল ২৮ হাজার ৬ শত ৬১ বর্গ কিলোমিটার। আমাদের এই বিশাল পৃথিবীতে ৭ টি মহাদেশ রয়েছে। এগুলো হলো- ইউরোপ, এশিয়া, উত্তর আমেরিকা, দণি আমেরিকা, অষ্ট্রেলিয়া, আফ্রিকা ও এন্টার্কটিকা।  দেখুন পৃখিবীর সত্য রহস্য কথায়? জানলে ভুল ধারনা ভেঙে পরিস্কার হয়ে যাবেন। সুন্দর এ পৃথিবীতে বহুকোষি জীবের আবির্ভাব থেকে এপর্যšত পাঁচটি মহাপ্রলয় ঘটেছে। কখনও মহাদেশগুলোর সঞ্চারণের জন্য মহাসাগরের প্রবল জলোচ্ছাস্ অথবা পৃথিবীজুড়ে ভয়ঙ্কর অগ্ন্যুৎপাত আবার কখনও বিশাল উল্কার সাথে পৃথিবীর সংঘর্ষের ফলে সৃষ্টি হয়েছে সেই মহাপ্রলয়। পৃথিবীতে মহাপ্রলয় ঘটেছিল ৪৩ কোটি বছর আগে। আর্ডোভিসিয়ন যুগের শেষে। তাহলে একটু যেনে নেওয়া যাক, কিভাবে ঘটল সে মহাপ্রলয়। তখন সুমুদ্রের অপোকৃত উন্নত প্রাণীদের অধিকাংশই বিলুপ্ত হয়ে যায়। আবার পরে মহাপ্রলয় ঘটে ৩৫ কোটি বছর আগে, সেটা ছিল ডেভোনিয়ন যুগে। তৃতীয় মহাপ্রলয় ঘটেছিল পার্সিয়ান যুগের আগে ২২ কোটি বছর আগেএবং সেটা ছিল সবচেয়ে বিধ্বংসী। এতবড় মহাপ্রলয়ের পরে আবার জীব কুলের মহাবিলুপ্তি ঘটে ২০ কোটি বছর আগে ঐ একই যুগ, পার্সিয়ান যুগের শেষে। আমাদের দেশে কয়লার উৎপত্তি হয়েছে ঐ যুগে এবং সে যুগে পৃথিবীতে উদ্ভিদকুলের বিরাট প্রসার ঘটেছিল।

পঞ্চম এবং শেষ মহাপ্রলয় ঘটেছিল সাড়ে ছ’কোটি বছর আগে ক্রেটেশাম যুগের শেষ দিকে।

আমরা যদি মুসলিম ধর্মের কথায় আসি, সেখানে বলা হচ্ছে, যখন  পৃথিবী তার প্রকান্ড কম্পনে প্রকম্পিত হবে, সে তাঁর বোঝা বের করে দিবে, পালন কর্তার আদেশে সে তাঁর বৃত্তান্ত বর্ণনা করবে। আর সেদিন মানুষ বিভিন্ন দলে প্রকাশ পাবে। অতঃপর যদি কেউ অণুপরিপাণ সৎকর্ম এবং অসৎকর্ম করলে তাও দেখতে পাবে। সূরা যিলযাল বা ভূমিকম্প- এই সূরা দ্বারা শিঙ্গা ফুঁকার ফলে ভূকম্পন বোঝানো হয়েছে। কেয়ামতের অবস্থা হিসাব নিকাশের কথাও উল্লেখ আছে। আল্লাহর নির্দেশ পেলে কেবল ইস্রাফিল ফেরেস্তা শিঙ্গা ফুকে দিবে। আর সাথে সাথে নেমে আসবে প্রলয় ভূ-কম্পন।
এসব বাদ দিয়ে আমরা যা সত্য সেটা জেনে নি। পৃথিবীতে যে ভূকম্পন হয় তার কারণ আমাদের ভূপৃষ্ঠের নিচে রয়েছে শীলা স্তর এবং প্রতিটি স্তর বেশ পাশাপাশি অবস্থিত। কোন কারণে শীলাস্তরে চাপ পড়লে আলগা হয়ে যায়। স্তর খসে তা ভূপৃষ্ঠের আরো নীচে চলে যায়। ফলে পার্শ্ববর্তি অংশের তুলনায় এ অংশের অবস্থান পরিবর্তন ঘটে।অর্থ্যাৎ পার্শ্ববর্তী শিলাস্তর নড়ে ওঠে। আর এটাই হল ভূ-কম্পন বা ভূমিকম্প। এসম্পর্কে বিজ্ঞানিরা প্রচুর পরীা নিরীা চালিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে যে তত্বটি আবিস্কারের ফলে আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা গ্রহণ করে ভূকম্পের য়তির হাত থেকে তা কিছুটা হলেও রা পাওয়া যায় তা হলো ডঃ রিখটারের ‘ইলাস্টিক রিবাউন্ড ম্যাকানিজম। ডঃ রিখটারের নাম অনুসারে ভূকম্পন মাপার স্কেলটির নাম রিখটার স্কেল।
সুর্য গ্রহণ নিয়ে নানা তর্ক বিতর্ক রয়েছে বিভিন্ন ধর্মে। ধর্মের দোহাই দিয়ে মানুষ মানুষকে কতো ভুল শেখায়। যাক এসম্পর্কে একটু যেনে যায়। বহু আগের কথা খ্রিষ্টপূর্ব ৫৮৫ অব্দের। বর্তমান তুরস্কের মিলেটাস শহর তখন গ্রিকদের দখলে ছিল। ব্যবসা বানিজ্যে শহরটি বেশ সমৃদ্ধ ছিল। ঐ সময়ের ঘটল অদ্ধুদ এক ঘটনা। শহরের এক গ্রীক পন্ডিত ঘসনা করলেন মে মাসের ২৮ তারিখে শহরে দেখা যাবে সূর্য গ্রহণ। মানুষ ভাবল সূর্যগ্রহণ সে আবার কি ? ভীষন অবাক হলো শহরের মানুষ। অনেকেই তাকে পাগল বলে আখ্যায়িত করল। আবার অনেকেই অপোয় থাকলো কি ঘটে দেখা যাক। গ্রীক পন্ডিতের নাম ‘থ্যালিস’ তিনি সবাইকে বুঝিয়ে দিলেন চাঁদের মধ্যবর্তী অবস্থানের কারণে ঐ দিন ঢেকে যাবে সূর্য। পৃথিবীএবং সূর্যের মাঝখানে চাঁদ এসে পড়বে, ফলে কোনো কোনো যায়গা থেকে সূর্যকে দেখা যাবে না। আর এটাই হলো সূর্যগ্রহণ।
নিন্দুকের মুখে ছায় পড়ল সত্যিই ঘটে গেল ‘থ্যালিসের’ র্সূর্যগ্রহণ। অবাক মিলেটাসবাসী। জন্ম নিল বিজ্ঞানের। বর্তমান জ্যামিতির মূল সূত্রগুলো রেখা, কোণ, ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ, সমোকণী ত্রিভুজ, কোণ উৎপন্ন হয় দুটি রেখার মিলনে ইত্যাদি এসব ‘থ্যালিসই দিয়ে গেছেন। এই অমুসলিন ব্যাক্তিই প্রথম আবিস্কার করেন বস্তুর ঘর্ষণের ফলে উৎপাদন হয় বিদ্যুৎ। খ্রিষ্টপূর্বে ৫৫০ অব্দে মহান দার্শনিক বিজ্ঞানি থ্যালিসের র্মত্যু হয়। অমুসলিম এই দার্শনিকের স্থান বেহেস্তে না দোযখে কে যানে।
এই বেহেস্ত দযোখ সর্গ নরক এ সব নিয়ে ভাবা আর মানুষের মধ্যে খুনোখুনি বাধানো সমান। শ্রীমদ্ভগবদগীতায় দেখা যায়, ভগবান শ্রীকৃষ্ণ যুদ্ধক্ষেত্রে দাড়িয়ে অর্জুনকে ধর্মার্থে খুনোখুনিতে প্ররোচিত করেছে। আসলে এসবের পিছনে ছিল বিপুল প্রাপ্তি। ধন দৌলত জায়গাজমি, রাজ সিংহাসন। নিহত হলে পরলৌকিক প্রাপ্তি, বেহেস্ত স্বর্গের উত্তম নেয়ামত। আসলে প্রথম কথাটা বাস্তবায়িত করার জন্য পরের কথটা বলা হয়েছিল। এসব লোভ দেখিয়ে মানুষের কাছ থেকে তাঁরা বহুত ফায়দা লুটেছে। বর্তমান সময়ে শ্রীকৃষ্ণ জন্মনিলে সে নির্ঘাৎ রেফ কেচে পড়ত আর হতো ইভটেজিং এর প্রধান আসামি। একটু বেশি বলে ফেললাম নাকি কে জানে। মূলত সবই ছিল মতা আর আধিপত্তের জন্যে। শ্রীকৃষ্ণ তাঁর আপন মামা দেবকির ভাই কংসুর সাথে যুদ্ধের ঘটনায় তাইবোঝা যায়। কংসু তখন রাজ্য শাষন করত। এটা ছিল ঐ সময়ের একটা নৃসংসতম ঘটনা। যুদ্ধ স্থান ঘটেছিল কুরুক্ষেত্র। এই কুরুক্ষেত্রর ঘটনা আজও আমাদের মাঝে হিন্দু মুসলিম সবার মধ্যে নৃসংস লোমহর্ষ ঘটনা বলে পরিচিত। মুসলমান ধর্ম ঘাটলেও এমন ঘটনা অনেক আছে। আসলে কারও ধর্র্ম কেউই বিশ্বাস করে না। যেমন হিন্দুদের কাছে কোরানের বাণী শুনিয়ে কোনো লাভ নেই। তেমন-ই সাত খন্ড রামায়ণ মুসলমানদের কাছে রুপ কথার খোশ গল্প।

About Md. Jewel Hasan

Check Also

চাঁদে অভিযান।

বায়ুস্তরের সর্বোচ্চ পর্যায়ে অর্থ্যা প্রায় 250 মাইল উচ্চতায় পৌছানোর পর চঁন্দ্রগামী রকেটকে প্রতি সেকেন্ডে 36 …

ফেসবুক কমেন্ট


  1. একটা বিশেষ স্থূল আলোচনা…………আবর্জনা ছাড়া আর কিছু নেই!!!

  2. Nothing but a complete sheer nonsense article!!

  3. কিছু নাস্তিক ধর্মের বিষয়ে না জেনে, অপব্যাখ্যা করে। এখানে ঠিক তাই করা হয়েছে। গাধা না জানলে জানার চেষ্টা। এক চোখ বুজে রেখে সব কছু দেখিস না। আর মিথ্যা তথ্যে মানষকে বিভ্রান্ত করিশ না।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।