লগ-ইন

হোম arrow তথ্যপ্রযুক্তি arrow উদ্ভিদের রোগ নির্নয়ে কম্পিউটার
উদ্ভিদের রোগ নির্নয়ে কম্পিউটার | প্রিন্ট |
লিখেছেন এনাম   
Monday, 16 February 2009
বিজ্ঞানের উন্নতির সাথে সাথে মানুষ সহ বিভিন্ন পশু-পাখির রোগ নির্ণয়ে ব্যবহৃত হচ্ছে কম্পিউটার সহ আরও উন্নত ধরনের প্রযুক্তি। প্রানিজগত বাদে জীবজগতের অন্য একটি গুরুত্বপূর্ন এবং অপরিহার্য অংশ হচ্ছে উদ্ভিদজগত। আর এই উদ্ভিদজগতের বিভিন্ন রোগ নির্ণয়কল্পে বিশ্বে প্রথমবারের মত উদ্ভিদের পাতা থেকে কম্পিউটারের মাধ্যমে রোগ নির্নয়ে সফলতা লাভ করেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) এর কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ম্যাথমেটিক্স বিভাগের শিক্ষক মুহাম্মাদ মোসত্মাগীজ বিলস্নাহ্।

বাংলাদেশ কৃষি নির্ভর দেশ হলেও দিন দিন এদেশের কৃষক বিভিন্ন সমস্যার কারনে কৃষির এই অগ্রযাত্রা থেকে পিছিয়ে পড়ছে। বিভিন্ন সমস্যার মধ্যে উদ্ভিদের রোগ, পোকামাকড়ের আক্রমন ইত্যাদি উলেস্ন্যখযোগ্য। বাকৃবিতে অবস্থিত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সর্বপ্রথম উদ্ভিদ হাসপাতাল এর তথ্যমতে, বাংলাদেশে প্রতি বছর উদ্ভিদের প্রায় ১২০০ রোগ বালাইয়ের জন্য ২৫-৩০% ফসল নষ্ট হয়। টাকার হিসেবে উক্ত ক্ষতির পরিমাণ ৭০০-৮৪০০ কোটি টাকা। আর এই বিশাল ক্ষতির একমাত্র কারণ হচ্ছে সময়মতো উদ্ভিদের সঠিক রোগ নির্ণয়ের অপারগতা। মানুষের পক্ষে অতি অল্প সময়ে এই শত শত প্রকার বাহ্যিক রোগ নির্ণয় করা অনেকাংশেই সম্ভবপর হয়ে ওঠে না। আর এই অসম্ভবকে কম্পিউটারের মাধ্যমে দ্রম্নত ও সহজতর করার চেষ্টা করছেন মুসতাগিস বিলস্নাহ। তিনি সম্পূর্ণ নিজ উদ্যোগে দীর্ঘ আট মাস ধান গাছের বিভিন্ন রোগের ওপর গবেষণা চালিয়ে উদ্ভাবন করেছেন এক নতুন প্রযুক্তি। কম্পিউটারের আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স এবং সেন্সরকে কাজে লাগিয়ে ধান গাছের পাতার বিভিন্ন রোগ নির্ণয়ে প্রায় ৮০-৮৫ শতাংশ সফলতা লাভ করেছেন তিনি। এক্ষেত্রে রোগাক্রানত্ম উদ্ভিদের পাতাকে স্ক্যানিং করে সফটওয়ারের মাধ্যমে কম্পিউটারের মধ্যে উক্ত রোগের বৈশিষ্ট্যসমূহকে প্রবেশ করানো হয় এবং কম্পিউটার তাৎক্ষণিক বিশেস্নষণ করে ফলাফল প্রদান করে। এতে করে ভুলের সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। বর্তমানে ধানের পাতার কিছু নির্দিষ্ট রোগ নিয়ে গবেষণা চলছে। রোগ সনাক্তকরণের ক্ষেত্রে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের প্রফেসর ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আইপিএম ল্যাব ও উদ্ভিদ রোগ হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা ড. এম বাহাদুর মিঞা।

মুহাম্মাদ মোসত্মাগীজ বিলস্নাহ্ বলেন- যদি উচ্চমানসম্পন্ন ছবি এবং পর্যাপ্ত পরিমান রোগাক্রানত্ম পাতার নমুনা সংগ্রহ করে আরো পরীক্ষা-নিরীক্ষা, গবেষণা এবং নিউরাল নেটওয়ার্ক ইন্টেলিজেন্স কে প্রশিক্ষণ করানো যায় তবে এ প্রযুক্তির মাধ্যমে রোগ নির্ণয়ের সম্ভাবনা ৯৫ ভাগ ছাড়িয়ে যাবে। তিনি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ডিজিটাল ক্যামেরার সাহায্যে সরাসরি মাঠ থেকে ছবি সংগ্রহ করে ওয়ার্লেস প্রযুক্তির মাধ্যমে ঘরে বসেই যাতে রোগ সনাক্ত করা যায় এ ব্যাপারে ও গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে, এ ব্যাপারে সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতা প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।

প্রফেসর ড. বাহাদুর মিঞা বলেন, বিশ্বে এধরনের প্রযুক্তি এটাই প্রথম। এ প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষকরা তুলনামুলকভাবে কম খরচে সল্প সময়ে উদ্ভিদ রোগাক্রানত্ম হওয়ার সাথে সাথেই শনাক্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করলে দেশ শত শত কোটি টাকা ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


ফার্মহাউজ নিউজ হতে -
মন্তব্যগুলো (0)Add Comment

মন্তব্য লিখুন

security code
Write the displayed characters


busy
 
< পূর্বে   পরে >

Creative Commons License
This work is licensed under a Creative Commons Attribution-Noncommercial-No Derivative Works 2.5 License.
Keyword: Bangladesh, Bangla, Bengali, science, technology, nanotechnology, technical, IT, computer, internet, solution, learning, asia, biggan, biggani, scientist, physics, chemistry, content, PHP, program, learn, c language, how, kivhabe, computer tips, amra, sobai, mile, desher, deser, unnoti, korbo, korte, chai, ekushe, ekush, dhaka, khobor, mojar, forum, adda, support, asun, sikhi, siki, sikkha, sikka, projukti, prokashoni, prokash, tothyoprojukti, notun