|
রুবাবা দৌলা মতিন ::: গ্রামীণফোন |
| প্রিন্ট |
|
|
লিখেছেন সোহাগ ভূইঁয়া
|
|
Friday, 08 December 2006 |
|
সিটিসেল মোবাইল ফোন অপারেটর কোম্পানীর পর বাংলাদেশে এই কোম্পানীটি
তাদের সেবা কার্যক্রম চালু করে। এই কোম্পানী তাদের সেবায় ইন্টারনেট
সংযুক্ত করে সেপ্টেম্বর ২০০৫ এ ইডিজিই প্রযুক্তির মাধ্যমে। তবে
ট্যাকনিকেলি চালু করা হয় একই বছরের জুলাই মাসে। ইন্টারনেট চালু করার প্রথম
দুই মাস গ্রামীণ ফোনের গ্রাহকদের জন্য ফ্রি ব্যবহার করতে দেয় হয়। গ্রামীণ
ফোনের ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য দুটি প্যাকেজ বর্তমান। একটি হচ্ছে
‘আনলিমিটেড’, যেটাতে মাসে ১০০০ টাকা করে দিতে হয়। এতে গ্রাহক যতই ব্যবহার
করুক না কেন বিল সেই একই থাকবে। আর অন্যটি হচ্ছে ‘পে এজ ইউ গো’।
এক্ষেত্রে কিলোবিট প্রতি ২ পয়সা করে চার্জ করা হয়। জানা যায়, গ্রাহক
সংখ্যার মধ্যে ৮০% হচ্ছে পে এজ ইউ গো প্যাকেজ ব্যবহার করে এবং বাকি ২০%
ব্যবহার করে আনলিমিটেড।
গ্রামীন ফোনের মার্কেটিং প্রধান রুবাবা দৌলা মতিন এর সাক্ষাৎকার
সাক্ষাৎকারের অংশ বিশেষ...
আপনারা মোবাইলে ইন্টারনেট চালু করেছেন; এর থেকে সাড়া কেমন পেয়েছেন?
-
ইডিজিই প্রথম চালু করার পর এর গ্রাহক দুই স্তাহের মধ্যে ৭০,০০০ এ পৌঁছায়
এবং বর্তমানে ছয় লক্ষ গ্রাহক এর সুবিধা গ্রহন করছে। ইডিজিই ব্যবহার করে
তারা বিভিন্ন কনন্টেট ডাউনলোড করছে, ইন্টারনেট সার্ফ করছে ইমেইল চেক
করছে। এটা আমাদের দেশ হিসেবে কিন্তু বিশাল সাফল্য।
আপনারা এটা কি
চিন্তা করেন নি, যে ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে মোবাইল ফোন একটি
ফ্যাক্টর? আর তাছাড়া ইন্টারনেট ব্রাউজের জন্য আপনাদের ব্যবহৃত ইডিজিই
কতটুকু কার্যকর?
- আমরা এই সুবিধাটি লঞ্চ করার আগে প্রতিটি মোবাইল
ফোন ভেন্ডরদের সাথে কথা বলেছি। তাদেরকে বলা হয়েছে ইন্টারনেট বা জিপিআরএস
এনাবল্ড মোবাইল সেট আনতে হবে। কেননা, এদেশেও ইন্টারনেট ব্যবহারের এক
বিশাল ক্ষেত্র রয়ে গেছে। আর জিপিআরএস এনাবল্ড হলেই আমাদের সুবিধাটি
গ্রাহকরা ব্যবহার করতে পারবে।
আপনাদের এই ইডিজিই এর ক্ষেত্রে চার্জ নির্ধারন কি খুব বেশি হয়ে যায় নি?
-
না, একদম না! অন্যদের চেয়ে আমাদের চার্জ সবচেয়ে কম। শুধু তাই নয়, সাধারন
আইএসপি যারা প্রিপেইড ইন্টারনেট সার্ভিস দেয়, আমরা প্রতিটি কোম্পানীর
চার্জ লক্ষ্য রেখে আমাদের চার্জ নির্ধারন করেছি।
বাংলাদেশ প্রেক্ষাপটে মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহারকে আপনারা কিভাবে দেখছেন?
-
এশিয়ার মধ্যে যেমন ভারত বা পাকিস্তানের চেয়েও বাংলাদেশে মোবাইল ফোনে
ইন্টারনেট অনেক দ্রুত গতিতে ছড়াচ্ছে এবং সেই সাথে বাড়ছে এর গ্রাহক সংখ্যা।
তাই বলতে বাঁধা নেই, বাংলাদেশে মোবাইলে ইন্টারনেটের সর্বোচ্চ ব্যবহার
সময় মাত্র।
আপনারা বাংলাদেশে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট জনপ্রিয় করার জন্য কি পদক্ষেপ নিয়েছেন?
-
অবশ্যই। প্রথমত, পুরো দেশব্যপী কিন্তু আমাদের ইডিজিই কভারেজ রয়েছে।
জনপ্রিয় করার জন্য আমরা বিভিন্ন রোড শো করি। দুইশ তিনশ গ্রাহকদের সাথে
আমরা সরাসরি কথা বলছি। এর জন্য দেশের বিভিন্ন স্থানে যাচ্ছি। তাছাড়া আমরা
সিআইসি (কমিউনিটি ইনফরমেশন সেন্টার) বলে একটি পদক্ষেপ নিয়েছি। এর মধ্যে
আমরা বিশটির মতো গ্রামে এই সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। যেখানে গ্রাহকরা
এসে ইন্টারনেটের এক্সেস পাচ্ছে। এভাবে করেই আমরা দেশব্যাপী ইন্টারনেটের
পরিচিতি ছড়িয়ে দিচ্ছি।
আইএসপি ব্যবসা চমৎকার একটি ব্যবসা। ভবিষ্যতে কি গ্রামীণফোনের এই ব্যবসায় নাম লেখানোর ইচ্ছে আছে?
-
গ্রামীণফোনের ভবিষ্যত যে ইচ্ছে আছে, আমরা সম্পূর্ন যোগাযোগ ব্যবস্থার
সরবরাহকারী হবো। আপনি নিশ্চয়ই জানেন যে আমাদের আইএসপি লাইসেন্স আছে।
কিন্তু তাই বলে যে শুধু ইন্টারনেট তা কিন্ত্ত নয়, আমরা চাই গ্রাহকদের
সম্পূর্ন যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য বিভিন্ন সুবিধা দিতে। তাই আমরা যেভাবেই
আমাদের লক্ষ্য সম্প্রসারন করি না কেন আরো প্ল্যান করেই আমরা পদক্ষেপ নেব।
|
To GP staffs, it won\'t be high bcoz they don\'t have any paid as they get this service absolutely free.
Moreover, they are telling they are extending this service to rural area too. The most rubbish words. Is it possible for rural people (or ordinary people) to pay monthly 1000 (+vat) for Unlimited Package.
Aktel\'s price is may be 750 (+Vat) which is better than GP.