লগ-ইন

হোম arrow কিভাবে কাজ করে arrow মোবাইল ফোন দিয়ে ডিম সিদ্ধ!
মোবাইল ফোন দিয়ে ডিম সিদ্ধ! | প্রিন্ট |
লিখেছেন মোজাম্মেল হোসেন ত্বোহা   
Sunday, 27 January 2008

মোবাইল ফোন দিয়ে ডিম সিদ্ধ!

মোজাম্মেল হোসেন ত্বোহা

গুজবটা শুরু হয়েছিল আরো বছর খানেক আগে। অনেকেই হয়তো সেই সময় mobile phone fries your brain শিরোণামে একটা ই-মেইল পেয়ে থাকবেন। এই ই-মেইলের মূল বিষয় ছিল মোবাইল ফোন ব্যবহারের ভয়াবহতা। ই-মেইলটাতে দাবি করা হয়েছিল যে, দুটো মোবাইল ফোনকে মুখোমুখি করে তাদের মাঝে একটা ডিম যদি এমনভাবে রাখা হয়, যেন ফোনদুটো ডিমটাকে দুইদিক থেকে স্পর্শ করে থাকে এবং এই অবস্থায় যদি ফোনদুটোর একটা থেকে অপরটাতে কল করা হয়, তবে ফোনদুটো থেকে নির্গত মাইক্রোওয়েভ রশ্মির প্রভাবে ডিমটা ধীরে ধীরে উত্তপ্ত হতে হতে এমন অবস্থায় পৌঁছবে যে, 65 মিনিট পর সেটা আক্ষরিক অর্থেই সিদ্ধ হয়ে খাওয়ার উপযোগী হয়ে যাবে। এই বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনার পর মেইলটার উপসংহারে বলা হয়েছিল, মোবাইল ফোন থেকে নির্গত রশ্মি যদি ডিমের ভিতরের প্রোটিনকে সিদ্ধ করে ফেলতে পারে, তবে চিন্তা করুন সেটা আমাদের ব্রেইনের প্রোটিনের জন্যও যে কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে!

যদি ই-মেইলটার শেষে এই তথ্যের কোন সূত্রের উল্লেখ ছিল না, তবুও এটা অবিশ্বাসের তেমন কোন কারণ ছিল না। কারণ আমরা মাইক্রোওয়েভের মাধ্যমে খাবার-দাবার গরম করার ধারণার সাথে পরিচিত। এছাড়া মেইলটিতে পদ্ধতিটা সম্পর্কে বিস্তারিত নির্দেশাবলিও দেওয়া ছিল। তবে কেউ যদি একটু ধৈর্য্য ধরে পরীক্ষাটা করেন তাহলেই বুঝতে পারবেন বাস্তবে এর সত্যতা কতটুকু। 65 মিনিট একটানা কল করা যেহেতু সবার পক্ষে সম্ভব হয় না, তাই অনেকেই হয়তো ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও পরীক্ষাটা করেন নি। যারা সাহস করে পরীক্ষাটা করেছেন, তাদের একজন হচ্ছেন বৃটেনের সাউদাম্পটনের Charlie Ivermee।

চার্লি যে সময়ের কথা বলেছেন, তখন সেখানে প্রতি কলের প্রথম দশ মিনিট ফ্রি ছিল। কাজেই তিনি তার আট বছর বয়সী মেয়ের সহায়তায় দশ মিনিট করে পরপর সাত বার অর্থাত্‍ মোট সত্তর মিনিট ধরে কল করে পরীক্ষাটা সম্পন্ন করেন। কিন্তু সিদ্ধ হওয়া তো অনেক পরের কথা, এতক্ষণ কল করা সত্ত্বেও এর তাপমাত্রা সামান্য পরিমাণও বৃদ্ধি পায় নি। অর্থাত্‍ পুরো মেইলটাই ছিল একটা ধোঁকা!

ব্যাপারটা যে আসলেই বোগাস, সেটা অবশ্য পরীক্ষা না করেও একটু ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করলেই বুঝা যায়। কারণ আমরা যখন মোবাইল ফোন দিয়ে কল করি, তখন এটা থেকে নির্গত রশ্মিগুলো কখনোই সরাসরি অন্য মোবাইল ফোনে যায় না। রশ্মিগুলো প্রথমে বেস স্টেশনে ট্রান্সমিট হয় এবং এরপর সেখান থেকে প্রাপক মোবাইল ফোনে প্রেরিত হয়। কাজেই দুটো ফোনকে পরস্পরের দিকে মুখ করিয়ে রাখা একটা ধোঁকাবাজি ছাড়া আর কিছুই না। চার্লি বলেন, এটা খুবই আশ্চর্যের ব্যাপার যে মানুষ এরকম অবাস্তব বিষয়গুলো খুব সহজেই বিশ্বাস করে ফেলে। তারমতে যে বিষয়টা সত্য না মিথ্যা সেটা মাত্র এক ঘন্টার মধ্যেই প্রমাণ করে দেওয়া যায়, সেটা শুধুশুধু বিশ্বাস করে প্রযুক্তির প্রতি ভীতি তৈরি করাটা খুবই হাস্যকর একটা ব্যাপার।

Mozammel Hosain Toha
Sirte - Libya
Mobile No: +218 92 7058964
স্প্যামবটের হাত থেকে এই ইমেল ঠিকানা সুরক্ষিত আছে। পড়ার জন্যে জাভাস্ক্রিপ্ট অন করুন। ; http://tohamh.googlepages.com

মন্তব্যগুলো (5)Add Comment
Thaks for your information
লিখেছেন Md. Mizanur Rahman, January 28, 2008
I think it is a very good information in our Country for our general Public.
greate explanation
লিখেছেন moheeb, March 21, 2008
this is a greate explanation about technology. i need more and more such type of article.
...
লিখেছেন Abdullah Al Mahmud, April 13, 2008
Thanks toha vai apni a vol na dhorla manos chirokal atai bissas korto
চিন্তা মুক্ত হলাম
লিখেছেন মোঃ মুনতাসীরুর রহমান (রুম্মান), July 09, 2008
আমি অই মেইলটা কালকে পড়েছিলাম
...
লিখেছেন Toufiq Hassan SHawon, October 01, 2008
Arokom aro janar o bojar mail chai...

মন্তব্য লিখুন

security code
Write the displayed characters


busy
 
পরে >

Creative Commons License
This work is licensed under a Creative Commons Attribution-Noncommercial-No Derivative Works 2.5 License.
Keyword: Bangladesh, Bangla, Bengali, science, technology, nanotechnology, technical, IT, computer, internet, solution, learning, asia, biggan, biggani, scientist, physics, chemistry, content, PHP, program, learn, c language, how, kivhabe, computer tips, amra, sobai, mile, desher, deser, unnoti, korbo, korte, chai, ekushe, ekush, dhaka, khobor, mojar, forum, adda, support, asun, sikhi, siki, sikkha, sikka, projukti, prokashoni, prokash, tothyoprojukti, notun