| বাংলায় বিজ্ঞানচর্চা: আবশ্যিকতা ও প্রস্তাবনা |
| লিখেছেন মিয়া মোহাম্মদ হুসাইনুজ্জামান | |
| Thursday, 01 February 2007 | |
|
ভূমিকা
জাপানে থাকি বেশ কয়েক বছর। এখানে জাপানি ভাষায় বৈজ্ঞানিক গবেষণামূলক সাময়িকি (সায়েন্টেফিক জার্নাল) দেখে আমি বিমোহিত হয়েছিলাম প্রথমে। এরপর আশ্চর্য হয়েছিলাম আমার প্রফেসরের শেলফের বইগুলো দেখে। চারিদিকে জাপানি বইয়ের সমারোহে কয়েকটা ইংরেজি বই দেখে কৌতুহলী হয়ে বই খুলে দেখি ভেতরে সব জাপানি ভাষায়, অথচ বইয়ের বাইরের মলাট ইংরেজিতে। পরবর্তীতে বাঙালী বড় ভাইদের কাছ থেকে জানতে পারলাম যে, যে কোন ভাল পাঠ্যবই বের হওয়ামাত্র এখানকার অনুবাদকগণ সেগুলো নিজভাষায় অনুবাদ করে ফেলেন। ফলশ্রুতিতে ভাল ইংরেজি না জানা সত্ত্বেও সাধারণ ছাত্ররা এবং যে কোন আগ্রহী ব্যক্তি মূল জ্ঞান থেকে বঞ্চিত হয় না। বাংলায় বিজ্ঞান চর্চার প্রাসঙ্গিকতা
অপরপক্ষে বাংলাদেশের কথা চিন্তা করুন। আমাদের
উচ্চশিক্ষার সমস্ত উপকরণ ইংরেজিতে হওয়ায় শুধুমাত্র ইংরেজি জানা ছাত্ররাই
এতে ভাল করতে পারে। লাভের দিক হচ্ছে আমাদের দেশের উচ্চতর ডিগ্রীধারীগণ
মোটামুটি ভাল ইংরেজি জানেন। উল্টাভাবে বলতে গেলে, ভাল বা মোটামুটি ভাল
ইংরেজি না জানলে বিভিন্ন বিষয়ে উচ্চতর শিক্ষালাভ করা দুরূহ।
একটা ব্যাপার মনে রাখা দরকার, যে কেউ কিন্তু
সুন্দর অনুবাদ করতে পারেন না। অনুবাদ করতে হলে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সম্যক
জ্ঞান থাকা দরকার, তাছাড়া ভাষাগত প্রকাশভঙ্গিটা সহজবোধ্য হওয়া জরুরী। তা'
না হলে অনুবাদ করতে গিয়ে মূল অর্থ পরিবর্তন হয়ে যেতে পারে। তাছাড়া অনেক
শব্দের আভিধানিক অর্থের চেয়ে প্রায়োগিক অর্থ বেশি উপযুক্ত, যেটা সংশ্লিষ্ট
বিষয়ে একজন দক্ষ বা অভিজ্ঞ ব্যক্তি ভাল জানেন। সুতরাং বিভিন্ন বিষয়ে
পেশাদার ব্যক্তি যদি সংশ্লিষ্ট বিষয়ের কোন বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ অনুবাদ করেন
তাহলে তা হবে সবচেয়ে ভাল এবং অপরের জন্য উপকারী। সবচেয়ে ভাল হয় যদি মূল
প্রবন্ধকার তার ইংরেজি প্রবন্ধ থেকে বাংলায় অনুবাদ করে দেন। কিন্তু এখানে
একটু চিন্তার ব্যাপার আছে।
আরেকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল নিজ ভাষায়
বিজ্ঞান চর্চা। বিজ্ঞান চর্চা মানে শুধু বাংলায় বিভিন্ন বিজ্ঞান ও
প্রযুক্তিগত বই পড়া নয়। আমাদেরকে বাংলায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সভা বা
আলোচনামূলক অনুষ্ঠান আয়োজন করতে হবে। এতে আন্তর্জাতিক সভাসমিতিতে
অংশগ্রহনের জন্য বিষয়গুলি ঝালাই/চর্চা করে নেয়া যাবে, তাছাড়া নিজ ভাষায়
ব্যপারগুলি বুঝার ফলে, ইংরেজিতে আন্তর্জাতিক সেমিনারেও অনেক বক্তব্য দ্রুত
অনুধাবন করা সহজ হবে।
এই মুহুর্তে বাংলায় তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক পত্রিকা
আছে কিন্তু কোন বৈজ্ঞানিক সাময়িকি নেই। আর বর্তমানে অন্যান্য ভাষার মত
একটি সম্পুর্ন এবং বিষয়ভিত্তিক বিজ্ঞান সাময়িকি প্রকাশ করা সম্ভব নয়। কারণ
আমাদের দেশে বিজ্ঞান সাময়িকি ভরিয়ে দেয়ার মত যথেষ্ট পরিমান মৌলিক গবেষণা
হচ্ছে না। আর অপরপক্ষে ঐ সাময়িকিতে প্রকাশযোগ্য প্রবন্ধ হৃদয়াঙ্গম করার
জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞানেরও দরকার আছে। তাই সাময়িকির গড়নটা এমন হওয়া উচিৎ যেন
এতে মৌলিক গবেষণার পাশাপাশি অন্যান্য সাধারণ জ্ঞানমূলক প্রবন্ধ থাকে।
তাহলে একেবারে সাধারণ থেকে অগ্রবর্তী সবশ্রেণীর পাঠকের চাহিদা মেটাতে
সক্ষম হবে। অর্থাৎ বিষয়বস্তুর বিভিন্নতা হওয়া উচিৎ ইংরেজি ভাষার জনপ্রিয়
বিজ্ঞান সাময়িকি সায়েন্স বা নেচার এর মত। মন্তব্যগুলো (6)
![]() লিখেছেন mashiur, February 03, 2007
প্রথমেই মিয়া মোহাম্মাদ হুসাইনুজ্জামান-কে ধন্যবাদ জানাই এইরকম চমৎকার একটি প্রস্তাবনা আমাদেরকে তুলে ধরার জন্য। জাপানে অধ্যায়নরত অবস্থাতেও আমার অভিজ্ঞতা অনেকটা একই রকম। কোন কিছুকে ভালভাবে বুঝতে হলে নিজের ভাষার থেকে ভাল কিছু আর হয়না। জাপানে এত দ্রুত তারা কোন বইকে অনুবাদ করে যে তা দেখে সত্যিই অবাক হতাম। এর পিছনে অনেক লেখকরা কাজ করছেন। জাপান ট্যাকনিক্যালি এতটা এগিয়ে আসার পিছনে কাজ করছে এইরকম ট্যাকনিক্যাল বইগুলি জাপানী ভাষাতে অনুবাদ করেছে তেমন লেখকদের জন্য। সেরকম লেখকদের কয়েকজনের সাথে আমার পরিচয় হবার সুযোগ হয়েছিল। তারা সবাই এইকথা বলেছে- "যদি সেলফে একই বই দুটি থাকে, একটি ভিন্ন ভাষায় অন্যটি মাতৃভাষায় তবে মানুষেরা আগে মাতৃভাষাকেই তুলে নিবে"।
আমি বিশ্বাস করে সামনের বিশ্বের সাথে পাল্লা দেবার জন্য আমাদের প্রযুক্তিকে গুরুত্ব দিতে হবে আর সেই সাথে মাতৃভাষায় বিজ্ঞান চর্চাকে বাড়াতে হবে। সেইক্ষেত্রে এইরকম বাংলা ভাষায় বৈজ্ঞানিক জার্নাল বেশ ভাল হবে বৈ কি। বিজ্ঞানী.com এর প্লাটফর্মকে ব্যবহার করে আমরা এই ক্ষেত্রে অগ্রণীভূমিকা পালন করতে পারি। আমরা যারা বিজ্ঞানীরা আছি তারা তাদের পেপারগুলি ইংরেজীতে বিভিন্ন জার্নালে প্রকাশিত করার পাশাপাশি বাংলাতে বিজ্ঞানী.com এ প্রকাশিত করার অনুরোধ করছি। তারপরে যখন আমাদের সেই সংখ্যাটি বেড়ে যাবে তখন এই রকম জার্নাল প্রকাশিত করতে পরি। ভবিষ্যতে বিজ্ঞানী.com অফলাইনে (প্রিন্ট আকারে)প্রকাশিত করার ইচ্ছে রয়েছে। সেরকম content যদি অনেক হয় তবেই সেই কাজটি করা যেতে পারে। এখন আমাদের জন্য সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে বিজ্ঞানীদের বাংলা ভাষায় তাদের গবেষনার কাজকে তুলে ধরার জন্য। এই বিষয়ে আরো আলোচনা করার জন্য পাঠকদের কাছ থেকে মন্তব্য আশা করছি। পরিশেষে ধন্যবাদ জানাচ্ছি মিয়া মোহাম্মাদ হুসাইনুজ্জামান -কে সুন্দর একটি আইডিয়া নিয়ে আনার জন্য। তবে আইডিয়াটি বাস্তবে রূপ দিতে হলে সবার সহযোগীতা প্রয়োজন। আশা করি সবাইমিলে আমরা এগিয়ে আসব। ...
লিখেছেন Mohammad Tofazzal Hossain Howlader, March 22, 2007
ধন্যবাদ।চমৎকার একাটা বিষয়ের উপর লেখার জন্য। আমিও
লেখকের সাথে একমত পোষন করি। লিখেছেন আমান, June 18, 2007
লিখাটা খুবই ভালো লেগেছে। আপনার প্রস্তাবনাটা চমৎকার। তবে আমি ব্যাক্তিগতভাবে কিছু কিছু (সায়েন্সের)জিনিসের অনুবাদ পছন্দ করি না। ভাষায় বিদেশী শব্দ ঢুকে যেমন ভাষাকে সমৃদ্ধ করে, আমি মনে করি বিজ্ঞানও অনেকটা তেমন। ধরুন, টায়ার প্রথম আবিষ্কার করেছে ইংরেজী ভাষীরা। এটা জ্ঞানটা যখন আমরা পেলাম তখন আমি টায়ারের একটা বাংলা প্রতিশব্দ তৈরীর বিপক্ষে। যদিও আমি চাইব এর তৈরী প্রনালী বা সমস্ত জ্ঞান বাংলায় অনুবাদ করতে যাতে সকলের জন্য সুবিধা হয় কিন্তু টায়ার শব্দটিকে বাংলা ভাষায় অন্তর্ভুক্ত করতে । আবার এই টায়ার প্রনালী শিখে আমরা নতুন কিছু বানালাম, তার নাম বাংলায় হতে পারে।
এখন যদি আমরা web,internet ইত্যাদির বাংলা প্রতিশব্দ তৈরী করি, আমার মতে তা কেবল বিড়ম্বনাই বাড়াবে। সুতরাং এদিকেও একটু খেয়াল রাখতে হবে বলে আমি মনে করি। গবেষণা ছাপানো, অনুবাদ এবং বিদেশী শব্দ ব্যাবহার প্রসঙ্গ লিখেছেন সাজ্জাদ বিন কামাল, November 09, 2007
প্রথমেই এরকম গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব উত্থাপনের জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমি কয়েকটি বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। বাংলাদেশে এখন প্রাইভেট-পাবলিক নিয়ে প্রায় শ'খানেক বিশ্ববিদ্যালয় আছে। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে যদি (কম করে হলেও) ধরে নেই বিজ্ঞান ও প্রকৌশলী মিলিয়ে ১০০ জন ছাত্র-ছাত্রী আছে (গড়ে); তাহলে আমরা প্রতি বছর ১০,০০০ জন ছাত্র-ছাত্রী পাই যারা বিএসসি (সম্মান) কোর্সে থিসিস বা প্রজেক্ট পেপার জমা দিয়ে ঐ পর্যায়ের পাঠ শেষ করে। সেই হিসেবে প্রতি বছর আমাদের বিজ্ঞান, প্রযুক্তি বা প্রকৌশল বিষয়ক ১০,০০০ টা থিসিস পেপার বা প্রজেক্ট পেপার পাবার কথা। এখন এই পেপার গুলোকে কি সম্মিলিত ভাবে সংগ্রহ করে জনসাধারনের মাঝে আমরা প্রকাশ/উন্মুক্ত করতে পারি? এরফলে, যা হবে বলে আমার ধারনা, যে ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে প্রজেক্ট/থিসিস পেপারও(এমনকি নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোত
েও) নকল করার প্রবণতা হ্রাস পেয়ে নতুন, সৃজনশীল কিছু একটা করার (যাতে তাদের লেখা মৌলিক হিসেবে বিবেচ্য হয়ে পত্রিকাতে ছাপানো হয়) প্রবণতা বৃদ্ধি পাবে। যদি ইলেক্ট্রনিক ভার্সন এবং হার্ড কপি দুটোই প্রকাশ করা হয় তাহলে জাতীয় ভাবে প্রত্যেকেই ঐ ওয়েবসাইটকে রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে। উপরন্তু, যারা বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল বিষয়ের নবীণ ছাত্র (১ম বা দ্বিতীয় বর্ষের) তারা ঐ পত্রিকা গুলো হাতের কাছে পেলে আরও বেশি জানতে পাবরে এবং স্বাভাবিক ভাবেই তাদের প্রকাশনা পূর্বদের তুলনায় ভালো হবে। যদিও বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব লাইব্রেরী থেকে তা সংগ্রহ করার ব্যবস্থা থাকে কিন্তু সেটা সংগ্রহ করার তাগিদ কারোরই নেই কারন সবাই জানে, তারা নিজেরা কি করেছে এবং তাদের বড়ো ভাই-বোনেরা কি করেছে। সকল অভিজ্ঞদের কাছে এই বিষয়ে মতামত চাচ্ছি। আমার কাছে প্রায়োগিক ক্ষেত্রে যেটা সমস্যা হতে পারে বলে মনে হয়েছে তাহলো হলো সকলের ঐক্যমত্য! এই সকল বা অন্যান্য গবেষণা, এ ধরনের ইলেক্ট্রনিক পত্রিকা এবং তার হার্ড ভার্সনে ছাপানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশে কতোটুকু মেধস্বত্ত রক্ষা করা সম্ভব হবে তাও বিবেচনার বিষয় বলে মনে করি।
যাহোক, বিদেশী গবেষণা প্রবন্ধ অনুবাদের ক্ষেত্রে মনে হয় wikibooks'র মতো কোন কিছু একটা করা যেতে পারে। এখানে অনুবাদের দুটো ধাপ থাকবে। প্রথমত, যারা ইংরেজী ভালো বোঝেন এবং সময় দিতে পারবনে তারা যেভাবেই হোক অবিকৃত অবস্থায় মুল বইয়ের অনুবাদ করে দেবেন। দ্বিতীয়ত, অন্য একটি গ্রুপ যাদের সাহিত্যবোধ ভালো তারা ঐ অনুবাদগুলোকে সু-পাঠ্য করবেন। তবে একথা বলা বাহুল্য, বাস্তবে দ্বিতীয় শ্রেনীর লোক পেতে সমস্যা হলে ঐ চাঁচাছোলা অনুবাদই প্রকাশ করে দিতে হবে কিন্তু ঐ দিকে পরিকল্পনা রাখতে হবে ভবিষ্যতে যেনো সেটা করা হয়। আবার পাঠকদের জন্য অভিযোগ/পরামর্শের সুযোগও রাখা উচিত। এতে আরও বেশি লাভ হবে হয়তো। কারন, পাঠক অনুবাদের যে অংশটা বুঝবেন না (যদি পুরোটা হয় তবেতো পুরোটাই) সে অংশটুকু পুন:লিখন করাই যথেষ্ট হবে। বিদেশী শব্দ ব্যবহারের ক্ষেত্রে এটা নিশ্চিত যে প্রচলিত শব্দ (যেমন টেলিভিশন) অনুবাদের প্রয়োজন নাই। তবে অনেক সময় অনেক মেধাবী সাহিত্যিক থাকেন যাঁরা খুব সুন্দর শব্দ তৈরী করতে পারেন। যেমনটা, 'মোবাইল ফোনের' বেলায় (খুব সম্ভবত) কবি নির্মলেন্দু গুণ করেছেন এভাবে 'মুঠো ফোন'। ব্যবহারেই যার জনপ্রিয়তা বোঝা যায়। তারপর আবার আমাদের দেশী বিজ্ঞানী, সুসাহিত্যিক স্যার. জগদীশ চন্দ্র বসু'র কথাও ধরা যায়। উনি Radio'র নাম দিয়েছিলেন (অনুবাদ নয়!) 'বেতার'। এজন্য দেখা যায়, 'বাংলাদেশ টেলিভিশন' বলা হলেও 'বাংলাদেশ বেতার' বলা হয়। আমি ব্যক্তিগত ভাবে লক্ষ্য করেছি, কলকাতার বাঙ্গালিরা বহু বছর ধরে 'দুরদর্শন' শব্দটা ব্যবহার করলেও 'বেতার'র মতো এই শব্দটি উভয় বাংলায় জনপ্রিয় বা গ্রহনযোগ্য হতে পারেনি। ধন্যবাদ। মন্তব্য লিখুন
|
|
| সর্বশেষ আপডেট ( Friday, 09 November 2007 ) |
আমি বিশ্বাস করে সামনের বিশ্বের সাথে পাল্লা দেবার জন্য আমাদের প্রযুক্তিকে গুরুত্ব দিতে হবে আর সেই সাথে মাতৃভাষায় বিজ্ঞান চর্চাকে বাড়াতে হবে। সেইক্ষেত্রে এইরকম বাংলা ভাষায় বৈজ্ঞানিক জার্নাল বেশ ভাল হবে বৈ কি।
বিজ্ঞানী.com এর প্লাটফর্মকে ব্যবহার করে আমরা এই ক্ষেত্রে অগ্রণীভূমিকা পালন করতে পারি। আমরা যারা বিজ্ঞানীরা আছি তারা তাদের পেপারগুলি ইংরেজীতে বিভিন্ন জার্নালে প্রকাশিত করার পাশাপাশি বাংলাতে বিজ্ঞানী.com এ প্রকাশিত করার অনুরোধ করছি। তারপরে যখন আমাদের সেই সংখ্যাটি বেড়ে যাবে তখন এই রকম জার্নাল প্রকাশিত করতে পরি। ভবিষ্যতে বিজ্ঞানী.com অফলাইনে (প্রিন্ট আকারে)প্রকাশিত করার ইচ্ছে রয়েছে। সেরকম content যদি অনেক হয় তবেই সেই কাজটি করা যেতে পারে।
এখন আমাদের জন্য সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে বিজ্ঞানীদের বাংলা ভাষায় তাদের গবেষনার কাজকে তুলে ধরার জন্য।
এই বিষয়ে আরো আলোচনা করার জন্য পাঠকদের কাছ থেকে মন্তব্য আশা করছি।
পরিশেষে ধন্যবাদ জানাচ্ছি মিয়া মোহাম্মাদ হুসাইনুজ্জামান -কে সুন্দর একটি আইডিয়া নিয়ে আনার জন্য। তবে আইডিয়াটি বাস্তবে রূপ দিতে হলে সবার সহযোগীতা প্রয়োজন। আশা করি সবাইমিলে আমরা এগিয়ে আসব।